০৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলে মানসিক সুস্থতার চর্চা করাবেন ডমিঙ্গো

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৯:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০
  • / 68

স্পোর্টস ডেস্ক

নিয়মিত খেলার কারণে, পারফরম্যান্স ওঠা নামা করায় কিংবা ব্যক্তিগত কারণে মানসিক অবসাদে ভুগতে পারেন ক্রীড়াবিদরা। সেজন্য খেলার মাঠে মানসিকভাবে সুস্থ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা মানসিক সুস্থতা নিয়ে অনেক সময় কথা বলতে পারেন না।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো এটার পরিবর্তন  চান। তিনি দলে এমন পরিবেশ তৈরি করতে চান যেন সবাই খোলা-মেলাভাবে মানসিক অবসাদ নিয়ে কথা বলতে পারেন।

মানসিক চাপের কারণে অস্ট্রেলিয়ার স্পিন অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল বিশ্রাম নিয়ে ফিরেছেন। জোনাথন ট্রথ-মার্কোস ট্রেথকোথিকের মতো ক্রিকেটাররা অবসরে চলে গেছেন। তারপরও বাংলাদেশ-ভারতের মতো দেশে বিশ্রামকে ভিন্নভাবে দেখা হয়। মাঠের বাইরের চাপ থাকে ক্রিকেটারদের ওপর।

এ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা বলেন, ‘আমাদের সামাজিক বাস্তবতা ভিন্ন। এখানে মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। মানসিক অবসাদ নিয়ে সরাসরি কথা বলার সুযোগ আমাদের কম। কেউ বিশ্রামের কথা বললে ভাবা হয়, সে অজুহাত দিচ্ছে বা ভয় পাচ্ছে।’

ডমিঙ্গো মানসিক সুস্থতার ব্যাপারে ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজকে বলেন, ‘মানসিক সুস্থতা খেলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টির প্রতি আমাদের সম্মান দেখাতে হবে। আমি মনে করি, ক্রিকেটারদের এটা নিয়ে খোলা-মেলা আলাপ করা উচিত। জানি, সবাই স্বাধীনভাবে এটা নিয়ে কথা বলতে পারবে না। কিন্তু আমরা সেই পরিবেশ জাতীয় দলে তৈরি করতে চাই।’

খেলোয়াড়দের মানসিক সুস্থতা নিয়ে জাতীয় দলের সাবেক ফিজিও আলী খান জানান, কোন খেলোয়াড় মানসিক অবসাদ নিয়ে খেললে তার পারফরম্যান্স আরও খারাপ হতে পারে। অনেক সময় চাপে পড়ে ক্রিকেটাররা বেশি শারীরিক পরিশ্রম করে। এতে মাথায় চাপ বাড়ে কিন্তু শরীর দ্রুত সাড়া দেয় না। বিশ্রামই তাই এর ভালো ওষুধ। সঙ্গে বেশি করে ঘুমানো, পুষ্টিকর খাবার ও বিনোদনমূলক কাজ এ থেকে মুক্তি দিতে পারে।’ এছাড়া বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে আস্তে আস্তে মানসিক সুস্থতার চর্চা শুরু হচ্ছে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

দলে মানসিক সুস্থতার চর্চা করাবেন ডমিঙ্গো

প্রকাশ : ০৯:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০

স্পোর্টস ডেস্ক

নিয়মিত খেলার কারণে, পারফরম্যান্স ওঠা নামা করায় কিংবা ব্যক্তিগত কারণে মানসিক অবসাদে ভুগতে পারেন ক্রীড়াবিদরা। সেজন্য খেলার মাঠে মানসিকভাবে সুস্থ থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা মানসিক সুস্থতা নিয়ে অনেক সময় কথা বলতে পারেন না।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো এটার পরিবর্তন  চান। তিনি দলে এমন পরিবেশ তৈরি করতে চান যেন সবাই খোলা-মেলাভাবে মানসিক অবসাদ নিয়ে কথা বলতে পারেন।

মানসিক চাপের কারণে অস্ট্রেলিয়ার স্পিন অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল বিশ্রাম নিয়ে ফিরেছেন। জোনাথন ট্রথ-মার্কোস ট্রেথকোথিকের মতো ক্রিকেটাররা অবসরে চলে গেছেন। তারপরও বাংলাদেশ-ভারতের মতো দেশে বিশ্রামকে ভিন্নভাবে দেখা হয়। মাঠের বাইরের চাপ থাকে ক্রিকেটারদের ওপর।

এ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা বলেন, ‘আমাদের সামাজিক বাস্তবতা ভিন্ন। এখানে মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। মানসিক অবসাদ নিয়ে সরাসরি কথা বলার সুযোগ আমাদের কম। কেউ বিশ্রামের কথা বললে ভাবা হয়, সে অজুহাত দিচ্ছে বা ভয় পাচ্ছে।’

ডমিঙ্গো মানসিক সুস্থতার ব্যাপারে ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ক্রিকবাজকে বলেন, ‘মানসিক সুস্থতা খেলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টির প্রতি আমাদের সম্মান দেখাতে হবে। আমি মনে করি, ক্রিকেটারদের এটা নিয়ে খোলা-মেলা আলাপ করা উচিত। জানি, সবাই স্বাধীনভাবে এটা নিয়ে কথা বলতে পারবে না। কিন্তু আমরা সেই পরিবেশ জাতীয় দলে তৈরি করতে চাই।’

খেলোয়াড়দের মানসিক সুস্থতা নিয়ে জাতীয় দলের সাবেক ফিজিও আলী খান জানান, কোন খেলোয়াড় মানসিক অবসাদ নিয়ে খেললে তার পারফরম্যান্স আরও খারাপ হতে পারে। অনেক সময় চাপে পড়ে ক্রিকেটাররা বেশি শারীরিক পরিশ্রম করে। এতে মাথায় চাপ বাড়ে কিন্তু শরীর দ্রুত সাড়া দেয় না। বিশ্রামই তাই এর ভালো ওষুধ। সঙ্গে বেশি করে ঘুমানো, পুষ্টিকর খাবার ও বিনোদনমূলক কাজ এ থেকে মুক্তি দিতে পারে।’ এছাড়া বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে আস্তে আস্তে মানসিক সুস্থতার চর্চা শুরু হচ্ছে বলে জানান তিনি।