০৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিনদিন পর রইসের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক,যশোর
  • প্রকাশ : ০৫:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 96

যশোর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বিজিবি সদস্য রইস উদ্দিনের মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে।বুধবার বেলা ১১টার দিকে জেলার শার্শা উপজেলার শিকারপুর সীমান্তের মুক্তিযোদ্ধা খামার পাড়া ও ভারতের গাঙ্গুলিয়া সীমান্তের মেইন পিলার ২৮ দিয়ে তার মরদেহ হস্তান্তর করে বিএসএফ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, যশোর ৪৯ বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল জামিল আহম্মেদ ও ভারতীয় বিএসএফের ১০৭ ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তরা।
রইস উদ্দিনের বাড়ি চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকা সাহাপাড়ার শ্যামপুর গ্রামে। বাবা কৃষক কামরুজ্জামান।
বিজিবির দাবি, সোমবার (২২ জানুয়ারি) ভারতের সুটিয়া ও বাংলাদেশের ধান্যখোলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারিরা গরু আনছিল। বিষয়টি টের পেয়ে বিএসএফ তাদের ধাওয়া দেয়। এক পর্যায়ে চোরাকারবারীদের ধরতে সিপাহী রইস উদ্দিন দলছুট হয়ে সীমান্তে এগিয়ে গেলে বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে আহত হন। পরে বিএসএফ সদস্যরা ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর দুইটার দিকে তিনি মারা যান।
বিজিবির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট এলাকায় ভারত থেকে একদল গরু চোরাকারবারি সীমান্ত পার হয়ে আসছিল।
এসময় বিজিবি টহল দল চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইশুদ্দীন চোরাকারবারীদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে বিএসএফকে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানোর পাশাপাশি কূটনৈতিকভাবে তীব্র প্রতিবাদ লিপি পাঠিয়েছে বিজিবি।

Please Share This Post in Your Social Media

তিনদিন পর রইসের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ

প্রকাশ : ০৫:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪

যশোর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বিজিবি সদস্য রইস উদ্দিনের মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে।বুধবার বেলা ১১টার দিকে জেলার শার্শা উপজেলার শিকারপুর সীমান্তের মুক্তিযোদ্ধা খামার পাড়া ও ভারতের গাঙ্গুলিয়া সীমান্তের মেইন পিলার ২৮ দিয়ে তার মরদেহ হস্তান্তর করে বিএসএফ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, যশোর ৪৯ বিজিবির লেফটেন্যান্ট কর্নেল জামিল আহম্মেদ ও ভারতীয় বিএসএফের ১০৭ ব্যাটালিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তরা।
রইস উদ্দিনের বাড়ি চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকা সাহাপাড়ার শ্যামপুর গ্রামে। বাবা কৃষক কামরুজ্জামান।
বিজিবির দাবি, সোমবার (২২ জানুয়ারি) ভারতের সুটিয়া ও বাংলাদেশের ধান্যখোলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারিরা গরু আনছিল। বিষয়টি টের পেয়ে বিএসএফ তাদের ধাওয়া দেয়। এক পর্যায়ে চোরাকারবারীদের ধরতে সিপাহী রইস উদ্দিন দলছুট হয়ে সীমান্তে এগিয়ে গেলে বিএসএফ সদস্যদের গুলিতে আহত হন। পরে বিএসএফ সদস্যরা ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর দুইটার দিকে তিনি মারা যান।
বিজিবির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট এলাকায় ভারত থেকে একদল গরু চোরাকারবারি সীমান্ত পার হয়ে আসছিল।
এসময় বিজিবি টহল দল চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইশুদ্দীন চোরাকারবারীদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ বিষয়ে বিএসএফকে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানোর পাশাপাশি কূটনৈতিকভাবে তীব্র প্রতিবাদ লিপি পাঠিয়েছে বিজিবি।