০৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চালের বস্তায় লিখতে হবে ওজন-মূল্য ও জাত, না মানলে জেল-জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক | সারাবাংলাটোয়েন্টিফোরনিউজ.কম
  • প্রকাশ : ০৬:০১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / 51

দাম, উৎপাদনের তারিখ ও জাতসহ দেশের রাইস মিল এবং করপোরেট কোম্পানিগুলো থেকে বাজারজাত ও সরবরাহ করা সব ধরনের চালের বস্তা ও প্যাকেটে বেশকিছু ধরনের তথ্য থাকা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।
বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
আগামী ১৪ এপ্রিল বা পহেলা বৈশাখ থেকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। আর এর ব্যত্যয় ঘটলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী দণ্ডমূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাইস মিল (অটোমেটিক ও হাস্কিং) থেকে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করা চালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন ও সরবরাহ মূল্য সম্পর্কে ভোক্তাদের অবহিত করতেই এই বাধ্যবাধকতা বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে।
চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা আকস্মিক বেড়ে পেলে মিলা, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা পরস্পরকে দোষারোপ করছেন বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
বলা হয়েছে, এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমতো জাতের ধান, চাল কিনতে অসুবিধায় পড়ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ অবস্থা উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজারমূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয়, তা নিশ্চিত করতে এবং তদারকি কার্যক্রমের সুবিধার জন্য এসব নির্দেশনা দেয়া হলো,’ উল্লেখ করা হয়েছে পরিপত্রে।
এতে বলা হয়েছে, চাল উৎপাদনকারী মিলাররা গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের সময় বস্তার উপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেটের মূল্য এবং ধান অথবা চালের জাত উল্লেখ করবে।
তবে বস্তার উপর এসব তথ্য কালি দিয়ে হাতে লেখা যাবে না অর্থাৎ মুদ্রিত হতে হবে। চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকদের সরবরাহ করা সব ধরনের চালের বস্তা বা প্যাকেটের এসব তথ্য থাকতে হবে।
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা মানতে হবে এবং এক্ষেত্রে মিল গেটের দামের পাশাপাশি কোম্পানি চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।

Please Share This Post in Your Social Media

চালের বস্তায় লিখতে হবে ওজন-মূল্য ও জাত, না মানলে জেল-জরিমানা

প্রকাশ : ০৬:০১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

দাম, উৎপাদনের তারিখ ও জাতসহ দেশের রাইস মিল এবং করপোরেট কোম্পানিগুলো থেকে বাজারজাত ও সরবরাহ করা সব ধরনের চালের বস্তা ও প্যাকেটে বেশকিছু ধরনের তথ্য থাকা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।
বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
আগামী ১৪ এপ্রিল বা পহেলা বৈশাখ থেকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। আর এর ব্যত্যয় ঘটলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী দণ্ডমূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাইস মিল (অটোমেটিক ও হাস্কিং) থেকে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করা চালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদন ও সরবরাহ মূল্য সম্পর্কে ভোক্তাদের অবহিত করতেই এই বাধ্যবাধকতা বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে।
চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা আকস্মিক বেড়ে পেলে মিলা, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা পরস্পরকে দোষারোপ করছেন বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
বলা হয়েছে, এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমতো জাতের ধান, চাল কিনতে অসুবিধায় পড়ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ অবস্থা উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজারমূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয়, তা নিশ্চিত করতে এবং তদারকি কার্যক্রমের সুবিধার জন্য এসব নির্দেশনা দেয়া হলো,’ উল্লেখ করা হয়েছে পরিপত্রে।
এতে বলা হয়েছে, চাল উৎপাদনকারী মিলাররা গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের সময় বস্তার উপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেটের মূল্য এবং ধান অথবা চালের জাত উল্লেখ করবে।
তবে বস্তার উপর এসব তথ্য কালি দিয়ে হাতে লেখা যাবে না অর্থাৎ মুদ্রিত হতে হবে। চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকদের সরবরাহ করা সব ধরনের চালের বস্তা বা প্যাকেটের এসব তথ্য থাকতে হবে।
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা মানতে হবে এবং এক্ষেত্রে মিল গেটের দামের পাশাপাশি কোম্পানি চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।