০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজীপুর মহাসড়ক অবরোধ, বিআরটি প্রকল্প দ্রুত শেষের দাবি।

মোঃ আখতারুজ্জামান সোহাগ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।
  • প্রকাশ : ০১:৫৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 2

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ আখতারুজ্জামান সোহাগ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।

গাজীপুর: বোর্ড বাজার এলাকায় অসমাপ্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ বিআরটি প্রকল্প-এর কারণে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন খান-এর নেতৃত্বে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিআরটি প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা এবং কাজের ধীরগতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে এবং নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন।

ফারুক হোসেন খান বলেন, “বিআরটি প্রকল্প দ্রুত শেষ করে বোর্ড বাজার এলাকায় নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাস না থাকায় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার করছেন।”

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর রাজু, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহিম খান কালা, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা হারুন অর রশিদ খানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে প্রকল্পটি বারবার পিছিয়ে পড়ে। একাধিকবার সময় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটির অগ্রগতি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

মানববন্ধন থেকে দ্রুত প্রকল্পটি পুনরায় চালু করে কাজ সম্পন্ন করা এবং বোর্ড বাজার এলাকায় নিরাপদ সড়ক পারাপারের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন অংশগ্রহণকারীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

গাজীপুর মহাসড়ক অবরোধ, বিআরটি প্রকল্প দ্রুত শেষের দাবি।

প্রকাশ : ০১:৫৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ আখতারুজ্জামান সোহাগ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।

গাজীপুর: বোর্ড বাজার এলাকায় অসমাপ্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ বিআরটি প্রকল্প-এর কারণে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন খান-এর নেতৃত্বে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিআরটি প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা এবং কাজের ধীরগতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে এবং নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন।

ফারুক হোসেন খান বলেন, “বিআরটি প্রকল্প দ্রুত শেষ করে বোর্ড বাজার এলাকায় নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাস না থাকায় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার করছেন।”

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর রাজু, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহিম খান কালা, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা হারুন অর রশিদ খানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে প্রকল্পটি বারবার পিছিয়ে পড়ে। একাধিকবার সময় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি। সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্পটির অগ্রগতি কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

মানববন্ধন থেকে দ্রুত প্রকল্পটি পুনরায় চালু করে কাজ সম্পন্ন করা এবং বোর্ড বাজার এলাকায় নিরাপদ সড়ক পারাপারের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন অংশগ্রহণকারীরা।