০৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুন থেকেই শ্রমিক ছাঁটাই, কিছু করার নেই: রুবানা হক

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৬:৫৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০
  • / 69

অনলাইন ডেস্ক

চলতি জুন মাস থেকেই কারখানায় পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই হবে বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক।

আজ বৃহস্পতিবার গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য করোনাভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব উদ্বোধন উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল সভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি একথা জানান।  

রুবানা হক বলেন, ‘ছাঁটাই কিন্তু পয়লা জুন থেকে হবে আসলে, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতা কিন্তু কিছু করার নেই। কারণ শতকরা ৫৫ ভাগ ক্যাপাসিটিতে ফ্যাক্টরি চললে, আমাদের পক্ষে তো ছাঁটাই ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। তবে এই ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের জন্য কী করা হবে, এজন্য আমরা সরকারের কাছে আবেদন করি, যে কীভাবে আমরা একসাথে এই ক্রাইসিস অতিক্রম করতে পারব। কারণ ছাঁটাই আসলে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি যদি একটুও পরিবর্তিত হয়, তাহলে এই একই শ্রমিকেরা অগ্রাধিকার পাবেন আমাদের ফ্যাক্টরিতে। এটি আমরা করার চেষ্টা করব।’

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হলে, কারখানার মালিকদের অবশ্যই শ্রম আইন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে পোশাকখাতে প্রতিদিনই পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে তিন দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের বিদেশি অর্ডার বাতিল হয়েছে।

তিনি জানান, ৯০ ভাগ কারখানার কিছু না কিছু ওয়ার্ক অর্ডার বাতিল হয়েছে। বায়াররা পাওনা টাকা পরিশোধের বিষয়েও পরিষ্কারভাবে কিছু বলছেন না। বাতিল অর্ডারের মাত্র ২৬ ভাগ ক্রেতা কাঁচামাল ফেরত নেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন এবং পাওনা টাকা পরিশোধের ব্যাপারে আলাপ করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

জুন থেকেই শ্রমিক ছাঁটাই, কিছু করার নেই: রুবানা হক

প্রকাশ : ০৬:৫৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

চলতি জুন মাস থেকেই কারখানায় পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই হবে বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক।

আজ বৃহস্পতিবার গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য করোনাভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব উদ্বোধন উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল সভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি একথা জানান।  

রুবানা হক বলেন, ‘ছাঁটাই কিন্তু পয়লা জুন থেকে হবে আসলে, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতা কিন্তু কিছু করার নেই। কারণ শতকরা ৫৫ ভাগ ক্যাপাসিটিতে ফ্যাক্টরি চললে, আমাদের পক্ষে তো ছাঁটাই ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। তবে এই ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের জন্য কী করা হবে, এজন্য আমরা সরকারের কাছে আবেদন করি, যে কীভাবে আমরা একসাথে এই ক্রাইসিস অতিক্রম করতে পারব। কারণ ছাঁটাই আসলে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিস্থিতি যদি একটুও পরিবর্তিত হয়, তাহলে এই একই শ্রমিকেরা অগ্রাধিকার পাবেন আমাদের ফ্যাক্টরিতে। এটি আমরা করার চেষ্টা করব।’

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হলে, কারখানার মালিকদের অবশ্যই শ্রম আইন কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে পোশাকখাতে প্রতিদিনই পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে তিন দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের বিদেশি অর্ডার বাতিল হয়েছে।

তিনি জানান, ৯০ ভাগ কারখানার কিছু না কিছু ওয়ার্ক অর্ডার বাতিল হয়েছে। বায়াররা পাওনা টাকা পরিশোধের বিষয়েও পরিষ্কারভাবে কিছু বলছেন না। বাতিল অর্ডারের মাত্র ২৬ ভাগ ক্রেতা কাঁচামাল ফেরত নেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন এবং পাওনা টাকা পরিশোধের ব্যাপারে আলাপ করেছেন।