০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সাংবাদিক কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় চার্জশিট
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৩:৫২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১
- / 71
অনলাইন ডেস্ক
ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হাজারীবাগ থানায় করা মামলায় চার্জশিট দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।
আদালত সূত্র জানায়, গতকাল রবিবার পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল মোল্লা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, কাজলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং তাকে বিচারের আওতায় আনা উচিত।
বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ওসমান আরা বেলী গত বছর হাজারীবাগ থানায় ১০ মার্চ কাজলের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। পরে, গত বছরের ১৪ মে কাজলকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং ২৮ জুন তাকে তিন দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়।
ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর তার বিরুদ্ধে ১০ মার্চ একই আইনে শেরেবাংলা নগর থানায় আরেকটি মামলা করলে, ২৩ জুন ওই মামলায়ও কাজলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
১১ মার্চ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আরেক সদস্য সুমাইয়া চৌধুরী বন্যার কামরাঙ্গীর চর থানায় করা অপর একটি মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তবে, শেরে বাংলা নগর ও কামরাঙ্গীর চর থানার মামলা দুটির তদন্তকারীরা এখনও কোনও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি।
২০২০ সালের ৩ মে নিখোঁজ হওয়ার ৫৩ দিন পর বেনাপোল সীমান্তের কাছাকাছি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কাজলকে খুঁজে পাওয়ার পর, অবৈধ অনুপ্রবেশের অপরাধে তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে, যশোরের একটি আদালত তাকে ওই মামলায় জামিন দেয়।
সেদিন আদালতে পুলিশ জানায়, কাজলের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় আরও তিনটি মামলা আছে। তখন ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কাজলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এরপর আদালত তাকে যশোর কারাগারে পাঠান এবং পরে তাকে কেরানীগঞ্জের কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
হাইকোর্ট পৃথকভাবে তিন মামলায় কাজলের জামিন মঞ্জুর করলে, গত বছর ২৫ ডিসেম্বর কাজলকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আদালত সূত্র জানায়, গতকাল রবিবার পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল মোল্লা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, কাজলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং তাকে বিচারের আওতায় আনা উচিত।
বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ওসমান আরা বেলী গত বছর হাজারীবাগ থানায় ১০ মার্চ কাজলের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। পরে, গত বছরের ১৪ মে কাজলকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং ২৮ জুন তাকে তিন দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়।
ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর তার বিরুদ্ধে ১০ মার্চ একই আইনে শেরেবাংলা নগর থানায় আরেকটি মামলা করলে, ২৩ জুন ওই মামলায়ও কাজলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
১১ মার্চ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আরেক সদস্য সুমাইয়া চৌধুরী বন্যার কামরাঙ্গীর চর থানায় করা অপর একটি মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তবে, শেরে বাংলা নগর ও কামরাঙ্গীর চর থানার মামলা দুটির তদন্তকারীরা এখনও কোনও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি।
২০২০ সালের ৩ মে নিখোঁজ হওয়ার ৫৩ দিন পর বেনাপোল সীমান্তের কাছাকাছি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কাজলকে খুঁজে পাওয়ার পর, অবৈধ অনুপ্রবেশের অপরাধে তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে, যশোরের একটি আদালত তাকে ওই মামলায় জামিন দেয়।
সেদিন আদালতে পুলিশ জানায়, কাজলের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় আরও তিনটি মামলা আছে। তখন ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় কাজলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এরপর আদালত তাকে যশোর কারাগারে পাঠান এবং পরে তাকে কেরানীগঞ্জের কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
হাইকোর্ট পৃথকভাবে তিন মামলায় কাজলের জামিন মঞ্জুর করলে, গত বছর ২৫ ডিসেম্বর কাজলকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।





















