০৫:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরাখণ্ডে তুষারধস: নিহত ১৪, নিখোঁজ ১৭০

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৮:৩২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / 72
 

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে তুষারধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৭০ জন।
আজ সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের চামোলি জেলায় গতকাল হিমবাহের একটি অংশ ভেঙে পড়ায় তুষারধস হয়। এর ফলে অলকানন্দা নদীতে জলবিদ্যুৎ স্টেশন, পাঁচটি সেতু ও রাস্তা ভেসে গেছে।
নিখোঁজ ১৭০ জনের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী রয়েছেন ১৪৮ জন ও ঋষিগঙ্গার ২২ জন। এছাড়াও, আরও ৩০ জন একটি আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ টানেলে আটকা পড়েছেন। তাদের উদ্ধারের কাজ চলছে। তীব্র শীত, কাদা ও ধ্বংসস্তুপের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
অন্য একটি নির্মাণাধীন টানেলে আটকা পড়া ১২ জনকে উদ্ধার করেছে ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স কমাড্যান্ট প্রবীণ কুমার তিওয়ারি সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, ‘(স্থানীয় সময়) রাত ৩টার দিকে আমাদের একটি দল ঘঠনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেখানে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে। তার ওপর দুর্গম পাহাড়ি পথ। তবুও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তুষারধসে ধৌলিগঙ্গা ও ঋষিগঙ্গার সংযোগস্থলে তপোবন বিষ্ণুগাদ জলবিদ্যুৎ প্লান্টের বাঁধটি ‘পুরোপুরি ভেসে গেছে’। এটি রাজ্যের রাজধানী দেরাদুন থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে রাস্তা ভেসে যাওয়ায় সেখানকার গ্রামগুলোতে প্যাকেট খাবার হেলিকপ্টার থেকে ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছে।
গতকাল চামোলি জেলা পরিদর্শন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিংহ রাওয়া নিহতদের পরিবারকে চার লাখ রুপি করে ক্ষতিপুরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের দুই লাখ রুপি ও গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

উত্তরাখণ্ডে তুষারধস: নিহত ১৪, নিখোঁজ ১৭০

প্রকাশ : ০৮:৩২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১
 

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে তুষারধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৭০ জন।
আজ সোমবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যের চামোলি জেলায় গতকাল হিমবাহের একটি অংশ ভেঙে পড়ায় তুষারধস হয়। এর ফলে অলকানন্দা নদীতে জলবিদ্যুৎ স্টেশন, পাঁচটি সেতু ও রাস্তা ভেসে গেছে।
নিখোঁজ ১৭০ জনের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী রয়েছেন ১৪৮ জন ও ঋষিগঙ্গার ২২ জন। এছাড়াও, আরও ৩০ জন একটি আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ টানেলে আটকা পড়েছেন। তাদের উদ্ধারের কাজ চলছে। তীব্র শীত, কাদা ও ধ্বংসস্তুপের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
অন্য একটি নির্মাণাধীন টানেলে আটকা পড়া ১২ জনকে উদ্ধার করেছে ভারত-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ।
ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স কমাড্যান্ট প্রবীণ কুমার তিওয়ারি সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, ‘(স্থানীয় সময়) রাত ৩টার দিকে আমাদের একটি দল ঘঠনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেখানে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে। তার ওপর দুর্গম পাহাড়ি পথ। তবুও আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তুষারধসে ধৌলিগঙ্গা ও ঋষিগঙ্গার সংযোগস্থলে তপোবন বিষ্ণুগাদ জলবিদ্যুৎ প্লান্টের বাঁধটি ‘পুরোপুরি ভেসে গেছে’। এটি রাজ্যের রাজধানী দেরাদুন থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে রাস্তা ভেসে যাওয়ায় সেখানকার গ্রামগুলোতে প্যাকেট খাবার হেলিকপ্টার থেকে ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছে।
গতকাল চামোলি জেলা পরিদর্শন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিংহ রাওয়া নিহতদের পরিবারকে চার লাখ রুপি করে ক্ষতিপুরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের দুই লাখ রুপি ও গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ভারতের উত্তরাখণ্ডে তুষারধসে বন্যা: নিখোঁজ ১৫০