০৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গবেষণা ও উন্নয়নের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতে হবে: অর্থমন্ত্রী
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৫:২৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
- / 73
অর্থনীতি ডেস্ক
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে খাপ খাইয়ে নিতে দেশের বেসরকারি খাতের গবেষণা ও উন্নয়নের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
আজ শনিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ আয়োজিত ‘ইফেক্টিভ পার্টনারশিপ উইথ দ্য প্রাইভেট সেক্টর ফর সাসটেইনেবল গ্রাজুয়েশন’ শীর্ষক একটি অনলাইন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পৃথিবীতে যখনই অর্থনৈতিক সংকট এসেছে, সব সংকট বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছে।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে এবং এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানি বহুমুখীকরণ, প্রতিযোগিতা তৈরি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ভ্যালু চেইন আপগ্রেড করা প্রভৃতির জন্য তিনি বেসরকারি খাতের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছি। আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, আইসিটি, ব্লক চেইন প্রভৃতি ব্যবহার করে আমাদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। তা না হলে অন্য দেশের তুলনায় আমরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ব।
এ জন্য বেসরকারি খাতের দক্ষতা উন্নয়নে “সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্রাজুয়েশন” প্রকল্প থেকে কিভাবে বেসরকারি খাতকে সহায়তা করা যায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) এবং স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণ সংক্রান্ত জাতীয় টাস্ক ফোর্সের সভাপতি জুয়েনা আজিজের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
টিপু মুনশি বলেন, ‘উত্তরণ পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহায়তাসমূহ কমে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশকে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে। উত্তরণ পরবর্তী সময়ের জন্য প্রস্তুতির লক্ষ্যে বাংলাদেশকে এখন থেকেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য আলোচনা শুরু করতে হবে।
আজ শনিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ আয়োজিত ‘ইফেক্টিভ পার্টনারশিপ উইথ দ্য প্রাইভেট সেক্টর ফর সাসটেইনেবল গ্রাজুয়েশন’ শীর্ষক একটি অনলাইন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পৃথিবীতে যখনই অর্থনৈতিক সংকট এসেছে, সব সংকট বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছে।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরবর্তী সময়ে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে এবং এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানি বহুমুখীকরণ, প্রতিযোগিতা তৈরি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ভ্যালু চেইন আপগ্রেড করা প্রভৃতির জন্য তিনি বেসরকারি খাতের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছি। আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, আইসিটি, ব্লক চেইন প্রভৃতি ব্যবহার করে আমাদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। তা না হলে অন্য দেশের তুলনায় আমরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ব।
এ জন্য বেসরকারি খাতের দক্ষতা উন্নয়নে “সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্রাজুয়েশন” প্রকল্প থেকে কিভাবে বেসরকারি খাতকে সহায়তা করা যায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) এবং স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণ সংক্রান্ত জাতীয় টাস্ক ফোর্সের সভাপতি জুয়েনা আজিজের সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
টিপু মুনশি বলেন, ‘উত্তরণ পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহায়তাসমূহ কমে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশকে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে। উত্তরণ পরবর্তী সময়ের জন্য প্রস্তুতির লক্ষ্যে বাংলাদেশকে এখন থেকেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য আলোচনা শুরু করতে হবে।





















