০৫:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
দেশে এগিয়ে যাচ্ছে ইসলামী ব্যাংকিং খাত
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০১:৫৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
- / 64
অর্থনীতি ডেস্ক
দায়বদ্ধভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনায় সমৃদ্ধভাবে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের ইসলামী ব্যাংকিং খাত। এ খাতের সাফল্যে আকৃষ্ট হয়ে ইসলামী ব্যাংকিং এ ঝুঁকছে প্রচলিত ঘরানার ব্যাংকগুলোও। দেশের ব্যাংকিং শিল্পে মোট আমানতের প্রায় ২৫ শতাংশই ইসলামী ব্যাংকগুলোর। দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করায় ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকদের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ইসলামী ব্যাংকিং আইন না হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন হচ্ছে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
১৯৮৩ সালে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের যাত্রার মধ্য দিয়ে দেশে কার্যক্রম শুরু হয় ইসলামী ব্যাংকিং-র। এরপরের গল্প শুধুই সাফল্যের। ৩৮ বছরে পরিপূর্ণ ইসলামী ব্যাংকের সংখ্যা মাত্র ৮ এ উত্তীর্ণ হলেও বিভিন্ন সূচকে এগিয়ে প্রচলিত ব্যাংক থেকে। ২০১৯ সালের শেষে দেশের ব্যাংক খাতে মোট আমানতের স্থিতি ছিল ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকগুলোর আমানতের পরিমাণ ২ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫৬ কোটি টাকা। যা মোট আমানতের প্রায় ২৫ শতাংশ।
ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধর্মীয় চেতনাবোধ ও কঠোর ব্যবস্থাপনা হওয়ায় ইসলামী ব্যাংকিং এ আকৃষ্ট হচ্ছেন গ্রাহকরা।
এসআইবিএল অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী তউহীদ বলেন, অনেক ক্লায়েন্টকে আমরা দেখি মানুষ অন্যরকমভাবে ইসলামী ব্যাংকে পছন্দ করে। যেহেতু আমাদের দেশের মানুষ একটু ধর্মীয় মনোভাবের।
ইসলামী ঘরানার ব্যাংকের সাফল্যের চমকে পরিপূর্ণ ইসলামিক শাখা ও ইসলামী উইন্ডো চালু করেছে প্রচলিত ঘরানার ব্যাংকগুলো। বর্তমানে শরিয়াভিত্তিক লেনদেন পরিচালনা করছে এমন ১৮টি ব্যাংকের ২০১৯ সাল শেষে আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা।
ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এনামুল হক বলেন, সম্পূর্ণ শরিয়া মোতাবেক এই দুই শাখায় কাজ চলছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইসলামী ব্যাংকিং আইন প্রণয়ন হলে আরো বেশি সমৃদ্ধ হবে ইসলামী ব্যাংকিং খাত, এমনটাই মনে করেন ইসলামী ব্যাংক বিশেষজ্ঞরা।
পূবালী ব্যাংক অডিট কমিটি চেয়ারম্যান আজিজুল হক বলেন, ১৯৮৩ ব্যাংক শুরু করেছিলাম। সেটা ২০০৯ সালে ২৬ বছর পরে আমরা একটা গাইড লাইন পেয়েছি, ল এখনো পাইনি।
দেশের শরিয়াভিত্তিক শাখাগুলোতে বর্তমানে কাজ করছেন প্রায় ৩৬ হাজার কর্মকর্তা।





















