০২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ছুড়িকাঘাতে স্ত্রী নিহত

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৭:২৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২০
  • / 43
ফারুক হোসাইন,লালমনিরহাট 
স্বামির কাছে সংসারের খরচ চাইতেই স্বামী স্ত্রীর বাক বিতন্ডতায় পাষন্ড মাতাল স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে সাতদিন হাসপাতালে জীবন সন্ধিক্ষণে লড়াই করে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলো মরিয়ম। 
জানা গেছে, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের মালগাড়া গ্রামের মৃত মোস্তফার মেয়ে। ৭ মাস আগে একই উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর বালাপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুল হমিদের ছেলে সোহাগের সাথে মরিয়মের বিয়ে হয়।
 বিয়ের পর থেকে সোহাগ যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে নানা ভাবে নির্যাতন করতো। ঘটনার দিন গত ঈদুল আযহার দু’দিন পরে ৩ আগস্ট সকালে স্ত্রীকে কোন প্রকার ভরণপোষণের টাকা পয়সা না দিয়েই বাড়িতে একা রেখে সোহাগ ঢাকা যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এ সময় মরিয়ম বাদ সাধলে কথার কাটাকাটির পর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে পিছন দিক থেকে কোমরে সজোরে আঘাত করে। এতে মরিয়ম চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।  
প্রত্যক্ষদর্শী বাড়ির অন্যান্য লোকজন সোহাগকে আটক করে থানায় সংবাদ দেয়।
সংবাদ পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সোহাগকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে সোহাগসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে একটি মামলা রুজু করে । আটক সোহাগকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
মুমূর্ষু অবস্থায় মরিয়মকে উদ্ধার  করে প্রথমে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তিকরে। অবস্থার বেগতিক দেখে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে ৭ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে গতকাল সকালে সে মারা যায়। লাশ ময়না তদন্ত শেষে সন্ধ্যায়  পিতার বাড়ি মালগাড়ায় মরিওমের লাশ পৌছলে শোকের ছায়া নেমে আসে।  পরে পারিবারিক ভাবে দাফন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

লালমনিরহাটে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ছুড়িকাঘাতে স্ত্রী নিহত

প্রকাশ : ০৭:২৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২০


ফারুক হোসাইন,লালমনিরহাট 
স্বামির কাছে সংসারের খরচ চাইতেই স্বামী স্ত্রীর বাক বিতন্ডতায় পাষন্ড মাতাল স্বামীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে সাতদিন হাসপাতালে জীবন সন্ধিক্ষণে লড়াই করে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলো মরিয়ম। 
জানা গেছে, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের মালগাড়া গ্রামের মৃত মোস্তফার মেয়ে। ৭ মাস আগে একই উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর বালাপাড়া গ্রামের মোঃ আব্দুল হমিদের ছেলে সোহাগের সাথে মরিয়মের বিয়ে হয়।
 বিয়ের পর থেকে সোহাগ যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে নানা ভাবে নির্যাতন করতো। ঘটনার দিন গত ঈদুল আযহার দু’দিন পরে ৩ আগস্ট সকালে স্ত্রীকে কোন প্রকার ভরণপোষণের টাকা পয়সা না দিয়েই বাড়িতে একা রেখে সোহাগ ঢাকা যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এ সময় মরিয়ম বাদ সাধলে কথার কাটাকাটির পর্যায়ে ধারালো ছুরি দিয়ে পিছন দিক থেকে কোমরে সজোরে আঘাত করে। এতে মরিয়ম চিৎকার দিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।  
প্রত্যক্ষদর্শী বাড়ির অন্যান্য লোকজন সোহাগকে আটক করে থানায় সংবাদ দেয়।
সংবাদ পেয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সোহাগকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে সোহাগসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে একটি মামলা রুজু করে । আটক সোহাগকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
মুমূর্ষু অবস্থায় মরিয়মকে উদ্ধার  করে প্রথমে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তিকরে। অবস্থার বেগতিক দেখে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে ৭ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে গতকাল সকালে সে মারা যায়। লাশ ময়না তদন্ত শেষে সন্ধ্যায়  পিতার বাড়ি মালগাড়ায় মরিওমের লাশ পৌছলে শোকের ছায়া নেমে আসে।  পরে পারিবারিক ভাবে দাফন করা হয়।