০১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরের গংগাচড়ায় তিস্তার পানি কমলেও এখনও নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেনি শরীফা বেগম

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৩:১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০
  • / 81

নাজনীন সুলতানা,গংগাচড়া(রংপুর)প্রতিনিধি

রংপুরের গংগাচড়ায় তিস্তার ভাঙন আতঙ্কে রাস্তায় বসবাস করছে আতঙ্কিত মানুষজন। সম্প্রতি তিস্তার বন্যায় উপজেলার ৭ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের ফসলসহ রাস্তা ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়। পুকুর, মৎস্য খামারের কয়েক লক্ষ টাকার মাছ ভেসে যায়। বন্যা কমে যাওয়ার সাথে সাথে চরাঞ্চগুলোতে তিস্তার ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলছে। কিন্তু মাটি সংকুলান হওয়ায় কাজ ধীরগতিতে হচ্ছে। ফলে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে চর শংকরদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলীন হয়েছে। বিনবিনার পাকা রাস্তার ৩’শ ফুট, চিলাখাল চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু অংশ ভেঙে গেছে। হুমকিতে পড়েছে শংকরদহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা, পাইকান আকবরিয়া মাদ্রাসা, সাউদপাড়া মাদ্রাসাসহ মসজিদ, পোস্ট অফিসসহ কয়েকটি গ্রাম ও ফসলী জমি। এছাড়া লক্ষীটারী ইউনিয়নের শংকরদহের আশ্রায়ণ গ্রামের বাড়িসহ প্রায় ৩ শতাধিক বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। আর ৭০টির মত বাড়ি গ্রামটিতে রয়েছে। কোলকোন্দের বিনবিনা ও চিলাখালের ১৫টি বাড়ি বিলীন হয়েছে। এদিকে ভাঙন আতঙ্কে শংকরদহের বেশ কিছু পরিবার বাড়ি ছেড়ে মালামাল নিয়ে রাস্তায় বসবাস করছে। রাস্তায় বসবাসকারী শরিফা, আপেল জানান, তিস্তার বেড়ি বাঁধটির আর ৩/৪ ফুট ভাঙলে পানি এসে তাদের বাড়ি তলিয়ে যাবে। যেহেতু তাদের বাড়ি তিস্তার পাশেই পানি আসলে বাড়ি সরানো দুরের কথা মালামাল সরানোর সময় পাওয়া যাবে না। যে কোন সময় ৩/৪ ফুট জায়গা ভেঙে যেতে পারে এ ভয়ে আগাম বাড়ির জিনিষপত্র নিয়ে রাস্তায় বসবাস করছি। ভাঙন রোধ হলে বাড়িতে ফিরবো।

Please Share This Post in Your Social Media

রংপুরের গংগাচড়ায় তিস্তার পানি কমলেও এখনও নিজ বাড়িতে ফিরতে পারেনি শরীফা বেগম

প্রকাশ : ০৩:১০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০

নাজনীন সুলতানা,গংগাচড়া(রংপুর)প্রতিনিধি

রংপুরের গংগাচড়ায় তিস্তার ভাঙন আতঙ্কে রাস্তায় বসবাস করছে আতঙ্কিত মানুষজন। সম্প্রতি তিস্তার বন্যায় উপজেলার ৭ ইউনিয়নের চরাঞ্চলের ফসলসহ রাস্তা ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়। পুকুর, মৎস্য খামারের কয়েক লক্ষ টাকার মাছ ভেসে যায়। বন্যা কমে যাওয়ার সাথে সাথে চরাঞ্চগুলোতে তিস্তার ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলছে। কিন্তু মাটি সংকুলান হওয়ায় কাজ ধীরগতিতে হচ্ছে। ফলে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে চর শংকরদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলীন হয়েছে। বিনবিনার পাকা রাস্তার ৩’শ ফুট, চিলাখাল চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু অংশ ভেঙে গেছে। হুমকিতে পড়েছে শংকরদহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা, পাইকান আকবরিয়া মাদ্রাসা, সাউদপাড়া মাদ্রাসাসহ মসজিদ, পোস্ট অফিসসহ কয়েকটি গ্রাম ও ফসলী জমি। এছাড়া লক্ষীটারী ইউনিয়নের শংকরদহের আশ্রায়ণ গ্রামের বাড়িসহ প্রায় ৩ শতাধিক বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। আর ৭০টির মত বাড়ি গ্রামটিতে রয়েছে। কোলকোন্দের বিনবিনা ও চিলাখালের ১৫টি বাড়ি বিলীন হয়েছে। এদিকে ভাঙন আতঙ্কে শংকরদহের বেশ কিছু পরিবার বাড়ি ছেড়ে মালামাল নিয়ে রাস্তায় বসবাস করছে। রাস্তায় বসবাসকারী শরিফা, আপেল জানান, তিস্তার বেড়ি বাঁধটির আর ৩/৪ ফুট ভাঙলে পানি এসে তাদের বাড়ি তলিয়ে যাবে। যেহেতু তাদের বাড়ি তিস্তার পাশেই পানি আসলে বাড়ি সরানো দুরের কথা মালামাল সরানোর সময় পাওয়া যাবে না। যে কোন সময় ৩/৪ ফুট জায়গা ভেঙে যেতে পারে এ ভয়ে আগাম বাড়ির জিনিষপত্র নিয়ে রাস্তায় বসবাস করছি। ভাঙন রোধ হলে বাড়িতে ফিরবো।