০৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনা বাহিনীর দখলে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৪২৩ মিটার

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৮:৪৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২০
  • / 74
অনলাইন  ডেস্ক
গালওয়ানে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৪২৩ মিটার দখল করেছে চীনের লাল ফৌজ। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি’র হাতে আসা সাম্প্রতিক উপগ্রহ চিত্রে এমন ইঙ্গিত মিলেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ জুনের সেই স্যাটেলাইট চিত্রে একটা বড় ছাউনি, ১৬টি তাঁবু এবং ত্রিপল আর ১৪টি সাঁজোয়া গাড়ির অস্তিত্ব মিলেছে। ১৯৬০ সালে দ্রাঘিমা ও অক্ষরেখা হিসেব করে গালওয়ানের বিশেষ এলাকা নিজেদের বলে দাবি করেছিল বেইজিং। সেই এলাকাই কব্জা করেছে চীনা বাহিনী।
সাম্প্রতিক উপগ্রহ চিত্রে সেই জায়গায় লাল ফৌজের উপস্থিতি ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত ২২ মে থেকে ২৬ জুনের উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে গালওয়ান নদী এলাকায় দিব্যি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে চীন।
এসব উপগ্রহ চিত্র ঠিক সেই এলাকার অর্থাৎ পেট্রলিং পয়েন্ট ১৪-এর। গত ১৫ জুন এখানেই ভারত-চীন সীমান্ত বাহিনীর চরম সংঘর্ষ ঘটে। যাতে ভারতের ২০ সেনা নিহত হয়।
ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দাদের দাবি, চীনা বাহিনীর এই অনুপ্রবেশ গালওয়ান নদী বরাবর সীমান্ত পেরিয়ে প্রায় ১৩৭ মিটার। প্রশ্ন উঠছে, যে এলাকায় উপগ্রহ চিত্র আনা অনুপ্রবেশ চিহ্নিত করেছে, সেখানে গত এক দশক ধরে পেট্রলিং করে ভারতীয় বাহিনী। তাহলে কী করে গালওয়ান নদী উপত্যকা এলাকায় এই নির্মাণ সম্ভব হল?
বর্তমানে ভারত চীনের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের বাহিনী কার্যত মুখোমুখি অবস্থানে।

Please Share This Post in Your Social Media

চীনা বাহিনীর দখলে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৪২৩ মিটার

প্রকাশ : ০৮:৪৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২০
অনলাইন  ডেস্ক
গালওয়ানে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৪২৩ মিটার দখল করেছে চীনের লাল ফৌজ। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি’র হাতে আসা সাম্প্রতিক উপগ্রহ চিত্রে এমন ইঙ্গিত মিলেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ জুনের সেই স্যাটেলাইট চিত্রে একটা বড় ছাউনি, ১৬টি তাঁবু এবং ত্রিপল আর ১৪টি সাঁজোয়া গাড়ির অস্তিত্ব মিলেছে। ১৯৬০ সালে দ্রাঘিমা ও অক্ষরেখা হিসেব করে গালওয়ানের বিশেষ এলাকা নিজেদের বলে দাবি করেছিল বেইজিং। সেই এলাকাই কব্জা করেছে চীনা বাহিনী।
সাম্প্রতিক উপগ্রহ চিত্রে সেই জায়গায় লাল ফৌজের উপস্থিতি ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। গত ২২ মে থেকে ২৬ জুনের উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে গালওয়ান নদী এলাকায় দিব্যি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে চীন।
এসব উপগ্রহ চিত্র ঠিক সেই এলাকার অর্থাৎ পেট্রলিং পয়েন্ট ১৪-এর। গত ১৫ জুন এখানেই ভারত-চীন সীমান্ত বাহিনীর চরম সংঘর্ষ ঘটে। যাতে ভারতের ২০ সেনা নিহত হয়।
ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দাদের দাবি, চীনা বাহিনীর এই অনুপ্রবেশ গালওয়ান নদী বরাবর সীমান্ত পেরিয়ে প্রায় ১৩৭ মিটার। প্রশ্ন উঠছে, যে এলাকায় উপগ্রহ চিত্র আনা অনুপ্রবেশ চিহ্নিত করেছে, সেখানে গত এক দশক ধরে পেট্রলিং করে ভারতীয় বাহিনী। তাহলে কী করে গালওয়ান নদী উপত্যকা এলাকায় এই নির্মাণ সম্ভব হল?
বর্তমানে ভারত চীনের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের বাহিনী কার্যত মুখোমুখি অবস্থানে।