০৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমার কোনো কষ্ট নেই, এনজয় করছি: মান্নান

নিজেস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০১:০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 99

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ফোন পেয়েছেন নতুন ও পুরনো বেশ কয়েকজন। এবারের মন্ত্রীসভায় থাকছেন না পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। দীর্ঘ ১০ বছর দায়িত্ব পালনের পর মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে তাকে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শেষ অফিস করছেন তিনি। বিদায়ী দিনে মন্ত্রণালয়ের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কুশলাদি বিনিময় করেন তিনি।
এ সময় এম এ মান্নান বলেন, চমৎকার মন্ত্রিসভা করেছে সরকার। প্রত্যেকে কাজের মানুষ। তবে এবার আমি মন্ত্রীসভায় থাকতে না পারলেও সংসদে আছি। সংসদ সরকারের ওপরে। আমি দলের এবং শেখ হাসিনার একজন কর্মী। দল যেখানে কাজে লাগাবে সেখানে কাজ কবো।
বিদায় বেলায় কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট রয়ে গেছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেছেন, নো নো, আমি এনজয় করছি। আমার কোনো কষ্ট নেই।
তিনি বলেন, কাজের চমৎকার পরিবেশ আছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে। এখানে কাজ উপভোগ করা যায়। সবকিছুই প্রাণবন্ত। এখানে একটা একাডেমিক পরিবেশ আছে। সব মিলে এই মন্ত্রণালয়ে প্রচুর কাজের পরিবেশ আছে। তবে এখানে একটাই চ্যালেঞ্জ, সবার প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে। এখানেও নানা বিধিবিধান মেনেই কাজ করতে হয়। বাস্তবিক অর্থে এখানে প্রধানমন্ত্রীই প্রধান।
এই মন্ত্রণালয়ে নতুন যিনি মন্ত্রী হয়ে আসবেন তার প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এই মন্ত্রণালয়ে নতুন যিনি নিয়োগ পাচ্ছেন তিনি আমার সহকর্মী। কোনো বিষয়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। তিনি আমার সরকারের বাইরের কেউ নন। নতুন যিনি আসবেন তাকে অভিনন্দন জানাই।
এম এ মান্নান বলেন, বাংলাদেশের অনেক আর্থ-সামাজিক বিবর্তন হয়েছে। এখানে প্রকল্প পাস ও তৈরি করা হয়। এখানে সব প্রকল্পই জনকল্যাণে হয়। সবাই খুব অভিজ্ঞ ও ভালো। আগামীতেও সবাই আমরা দেশের কল্যাণে কাজ করবো।
বিদায়ী মন্ত্রী বলেন, দেশে সুশাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষ খুব উন্নয়ন চায়। উন্নয়নেক সামনে এগিয়ে নিতে চায়। একনেক হলে মানুষ টেলিভিশন বা পত্রিকায় চেয়ে থাকে। কোন অঞ্চলে কী প্রকল্প পাস হয় এটা সবাই দেখতে চায়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০২৪ সালের ১১ জানুয়ারি নিলেন বিদায়।

Please Share This Post in Your Social Media

আমার কোনো কষ্ট নেই, এনজয় করছি: মান্নান

প্রকাশ : ০১:০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ফোন পেয়েছেন নতুন ও পুরনো বেশ কয়েকজন। এবারের মন্ত্রীসভায় থাকছেন না পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। দীর্ঘ ১০ বছর দায়িত্ব পালনের পর মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে তাকে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শেষ অফিস করছেন তিনি। বিদায়ী দিনে মন্ত্রণালয়ের অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কুশলাদি বিনিময় করেন তিনি।
এ সময় এম এ মান্নান বলেন, চমৎকার মন্ত্রিসভা করেছে সরকার। প্রত্যেকে কাজের মানুষ। তবে এবার আমি মন্ত্রীসভায় থাকতে না পারলেও সংসদে আছি। সংসদ সরকারের ওপরে। আমি দলের এবং শেখ হাসিনার একজন কর্মী। দল যেখানে কাজে লাগাবে সেখানে কাজ কবো।
বিদায় বেলায় কোনো আক্ষেপ বা কষ্ট রয়ে গেছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেছেন, নো নো, আমি এনজয় করছি। আমার কোনো কষ্ট নেই।
তিনি বলেন, কাজের চমৎকার পরিবেশ আছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে। এখানে কাজ উপভোগ করা যায়। সবকিছুই প্রাণবন্ত। এখানে একটা একাডেমিক পরিবেশ আছে। সব মিলে এই মন্ত্রণালয়ে প্রচুর কাজের পরিবেশ আছে। তবে এখানে একটাই চ্যালেঞ্জ, সবার প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে। এখানেও নানা বিধিবিধান মেনেই কাজ করতে হয়। বাস্তবিক অর্থে এখানে প্রধানমন্ত্রীই প্রধান।
এই মন্ত্রণালয়ে নতুন যিনি মন্ত্রী হয়ে আসবেন তার প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এই মন্ত্রণালয়ে নতুন যিনি নিয়োগ পাচ্ছেন তিনি আমার সহকর্মী। কোনো বিষয়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। তিনি আমার সরকারের বাইরের কেউ নন। নতুন যিনি আসবেন তাকে অভিনন্দন জানাই।
এম এ মান্নান বলেন, বাংলাদেশের অনেক আর্থ-সামাজিক বিবর্তন হয়েছে। এখানে প্রকল্প পাস ও তৈরি করা হয়। এখানে সব প্রকল্পই জনকল্যাণে হয়। সবাই খুব অভিজ্ঞ ও ভালো। আগামীতেও সবাই আমরা দেশের কল্যাণে কাজ করবো।
বিদায়ী মন্ত্রী বলেন, দেশে সুশাসন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামের মানুষ খুব উন্নয়ন চায়। উন্নয়নেক সামনে এগিয়ে নিতে চায়। একনেক হলে মানুষ টেলিভিশন বা পত্রিকায় চেয়ে থাকে। কোন অঞ্চলে কী প্রকল্প পাস হয় এটা সবাই দেখতে চায়।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিজয়ী হয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০২৪ সালের ১১ জানুয়ারি নিলেন বিদায়।