০৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনআইডি সংশোধনে লাগবে ১৫ ফাইল, নির্দেশনা জারি

নিজেস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৫:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 92

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের জন্য একজন আবেদনকারীকে ১৫ ধরনের ফাইল আপলোড করতে হবে, অন্যথায় তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) নতুন এই নির্দেশনা জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে এনআইডি শাখার সিস্টেম অ্যানালিস্ট মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম এটি বাস্তবায়নের জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।
ইসির নির্দেশনা বলা হয়েছে, এনআইডি সংশোধনের আবেদন করার সময় অনেকে অনলাইনে আবেদন করেন, আবার অনেক ক্ষেত্রে ভোটারের আবেদন উপজেলা নির্বাচন অফিস হতে এন্ট্রি করা হয়। এক্ষেত্রে সংশোধনের আবেদন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের অনেক সময় আরও ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়, যা চেয়ে ভোটারকে মেসেজ পাঠানো হয় এবং এনআইডি’র স্ট্যাটাস এডিশনাল ডকুমেন্ট রিকোয়ার্ড’ বা ‘সেন্ড ব্যাক টুক সিটিজেন’ করা প্রয়োজন হয়।
এক্ষেত্রে যদি কোনো আবেদনের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, আবেদনকারী ১৫টি ফাইল আপলোড করেছে শুধু সেক্ষেত্রেই অনলাইনে আবেদনসমূহের স্ট্যাটাস ‘সেন্ড ব্যাক টুক সিটিজেন’ না দিয়ে ‘এডিশনাল ডকুমেন্ট রিকোয়ার্ড’ না দিয়ে দিতে হবে।
এছাড়া ‘সেন্ড ব্যাক টু সিটিজেন’ স্ট্যাটাসে দেয়া আবেদনসমূহের ক্ষেত্রে ভোটারকে অনলাইনে নিজের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে।
যদি নিজের অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে যায় অথবা অ্যাকাউন্ট করার সময় অন্য কারো মোবাইল নাম্বার দেয়া হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে ‘পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে’ বাটনে ক্লিক করলে নতুনভাবে পাসওয়ার্ড সেট করা যাবে এবং নতুনভাবে মোবাইল নাম্বার দেয়া যাবে।
তাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা অন্যজনের মোবাইল নাম্বার দেয়া আছে ইত্যাদি কারণে ভোটার তার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারছে না, এ বিষয় গ্রহণযোগ্য নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এনআইডি সংশোধনে লাগবে ১৫ ফাইল, নির্দেশনা জারি

প্রকাশ : ০৫:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের জন্য একজন আবেদনকারীকে ১৫ ধরনের ফাইল আপলোড করতে হবে, অন্যথায় তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
বুধবার (১৭ জানুয়ারি) নতুন এই নির্দেশনা জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে এনআইডি শাখার সিস্টেম অ্যানালিস্ট মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম এটি বাস্তবায়নের জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।
ইসির নির্দেশনা বলা হয়েছে, এনআইডি সংশোধনের আবেদন করার সময় অনেকে অনলাইনে আবেদন করেন, আবার অনেক ক্ষেত্রে ভোটারের আবেদন উপজেলা নির্বাচন অফিস হতে এন্ট্রি করা হয়। এক্ষেত্রে সংশোধনের আবেদন অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের অনেক সময় আরও ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়, যা চেয়ে ভোটারকে মেসেজ পাঠানো হয় এবং এনআইডি’র স্ট্যাটাস এডিশনাল ডকুমেন্ট রিকোয়ার্ড’ বা ‘সেন্ড ব্যাক টুক সিটিজেন’ করা প্রয়োজন হয়।
এক্ষেত্রে যদি কোনো আবেদনের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, আবেদনকারী ১৫টি ফাইল আপলোড করেছে শুধু সেক্ষেত্রেই অনলাইনে আবেদনসমূহের স্ট্যাটাস ‘সেন্ড ব্যাক টুক সিটিজেন’ না দিয়ে ‘এডিশনাল ডকুমেন্ট রিকোয়ার্ড’ না দিয়ে দিতে হবে।
এছাড়া ‘সেন্ড ব্যাক টু সিটিজেন’ স্ট্যাটাসে দেয়া আবেদনসমূহের ক্ষেত্রে ভোটারকে অনলাইনে নিজের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে।
যদি নিজের অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে যায় অথবা অ্যাকাউন্ট করার সময় অন্য কারো মোবাইল নাম্বার দেয়া হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে ‘পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে’ বাটনে ক্লিক করলে নতুনভাবে পাসওয়ার্ড সেট করা যাবে এবং নতুনভাবে মোবাইল নাম্বার দেয়া যাবে।
তাই পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা অন্যজনের মোবাইল নাম্বার দেয়া আছে ইত্যাদি কারণে ভোটার তার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারছে না, এ বিষয় গ্রহণযোগ্য নয়।