০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি,মোটরসাইকেলে ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না পাম্পগুলো।

আক্কাস আলী খান রাজবাড়ী প্রতিনিধি।
  • প্রকাশ : ০২:৫০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • / 14

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

আক্কাস আলী খান রাজবাড়ী প্রতিনিধি।

সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই আগে থেকেই পেট্রোল ও অকটেন মজুদ করতে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন। এতে রাজবাড়ীতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। তবে চাহিদা বাড়লেও সরকারি নির্ধারিত দাম এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব দেশের জ্বালানি বাজারেও পড়তে শুরু করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে— এমন আশঙ্কায় রাজবাড়ীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন।

শুক্রবার রাজবাড়ী শহরের মুরগী ফার্ম এলাকায় অবস্থিত কাজী ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অকটেন নেই। পেট্রোলও গ্রাহকদের কাছে ২০০ টাকার বেশি বিক্রি করা হচ্ছে না। অনেক গাড়ি পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে।
একই চিত্র দেখা গেছে শ্রীপুর পলাশ পেট্রোল পাম্পেও। সেখানে অকটেন ও পেট্রোল প্রায় শেষ হয়ে গেছে। কর্মীরা জানান, যে পরিমাণ তেল রয়েছে তা ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে। সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে পাম্পগুলোতে।

পাম্পগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একজন গ্রাহককে ২০০ টাকার বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
মোটরসাইকেল চালক আলমগীর হোসেন বলেন, “আমি ঢাকায় যাব। গাড়িতে তেল নেই, তাই পাম্পে এসেছি। কিন্তু ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। তাহলে দেড় শত কিলোমিটার পথ কীভাবে যাব?”

প্রাইভেটকার চালক সুজন হোসেন বলেন, “পাম্পে তেল নিতে এসে শুনছি তেল নেই। এভাবে চললে গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত, যাতে কেউ আতঙ্ককে কাজে লাগিয়ে মানুষকে হয়রানি করতে না পারে।”পেট্রোল পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় সকাল থেকেই কয়েকগুণ বেশি গ্রাহক জ্বালানি নিতে আসছেন। অতিরিক্ত চাপ সামলাতে গিয়ে অনেক সময় পাম্প বন্ধ রাখতে হচ্ছে। বর্তমানে সীমিত পরিমাণে গ্রাহকদের তেল দেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

জ্বালানি তেলের হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি,মোটরসাইকেলে ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না পাম্পগুলো।

প্রকাশ : ০২:৫০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

আক্কাস আলী খান রাজবাড়ী প্রতিনিধি।

সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই আগে থেকেই পেট্রোল ও অকটেন মজুদ করতে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন। এতে রাজবাড়ীতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। তবে চাহিদা বাড়লেও সরকারি নির্ধারিত দাম এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব দেশের জ্বালানি বাজারেও পড়তে শুরু করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে— এমন আশঙ্কায় রাজবাড়ীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে দেখা যাচ্ছে দীর্ঘ লাইন।

শুক্রবার রাজবাড়ী শহরের মুরগী ফার্ম এলাকায় অবস্থিত কাজী ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অকটেন নেই। পেট্রোলও গ্রাহকদের কাছে ২০০ টাকার বেশি বিক্রি করা হচ্ছে না। অনেক গাড়ি পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে।
একই চিত্র দেখা গেছে শ্রীপুর পলাশ পেট্রোল পাম্পেও। সেখানে অকটেন ও পেট্রোল প্রায় শেষ হয়ে গেছে। কর্মীরা জানান, যে পরিমাণ তেল রয়েছে তা ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই শেষ হয়ে যেতে পারে। সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে পাম্পগুলোতে।

পাম্পগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একজন গ্রাহককে ২০০ টাকার বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। এ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
মোটরসাইকেল চালক আলমগীর হোসেন বলেন, “আমি ঢাকায় যাব। গাড়িতে তেল নেই, তাই পাম্পে এসেছি। কিন্তু ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। তাহলে দেড় শত কিলোমিটার পথ কীভাবে যাব?”

প্রাইভেটকার চালক সুজন হোসেন বলেন, “পাম্পে তেল নিতে এসে শুনছি তেল নেই। এভাবে চললে গাড়ি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত, যাতে কেউ আতঙ্ককে কাজে লাগিয়ে মানুষকে হয়রানি করতে না পারে।”পেট্রোল পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় সকাল থেকেই কয়েকগুণ বেশি গ্রাহক জ্বালানি নিতে আসছেন। অতিরিক্ত চাপ সামলাতে গিয়ে অনেক সময় পাম্প বন্ধ রাখতে হচ্ছে। বর্তমানে সীমিত পরিমাণে গ্রাহকদের তেল দেওয়া হচ্ছে।