০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তীব্র জ্বালানি সংকট: পেট্রোল–অকটেন বিক্রি বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে বাইকাররা।

আখতারুজ্জামান সোহাগ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।
  • প্রকাশ : ০১:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / 20

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

আখতারুজ্জামান সোহাগ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।

গাজীপুরে হঠাৎ করে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রিয়াজ ফিলিং স্টেশন, মাহবুব ফিলিং স্টেশন, হাজী ফিলিং স্টেশন, ইউনিয়ন ফিলিং স্টেশন, চৌধুরী ফিলিং স্টেশন, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে হোসেইন অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশন, মুকুল ফিলিং স্টেশন,কালিগন্জে তাইবা ফিলিং স্টেশন এবং সালনা হংকং ফিলিং স্টেশনসহ জেলার অধিকাংশ পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে।

কিছু কিছু ফিলিং স্টেশনে সীমিত পরিমাণে ডিজেল বিক্রি করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। অনেক বাইকারের বাইকের তেল শেষ হয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন পাম্পে ঘুরেও তেল পাচ্ছেন না।জয়দেবপুর দক্ষিণ ছায়াবীথি এলাকার বাইকার ও বাসিন্দা শাহরিয়ার মনিম বলেন,
“বাইকের তেল শেষ হয়ে গেছে।

কয়েকটি পাম্প ঘুরেও কোথাও পেট্রোল পাইনি। এতে স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হচ্ছে।” গাজীপুর বাইপাস এলাকার বাসিন্দা ও বাইকার আব্দুস সালাম জানান,“হঠাৎ করে পেট্রোল-অকটেন না থাকায় কাজে যাওয়া–আসা কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত এই সংকট সমাধান করা প্রয়োজন।”শফিপুর–মৌচাক এলাকার বাসিন্দা ও বাইকার ইমন হাওলাদার, মাওনা–রাজেন্দ্রপুর এলাকার বাইকার শুভ, পুবাইলের আলম, কাপাসিয়ার আরিফ, টংগীর কলেজ গেট এলাকার ফয়সাল এবং কালিয়াকৈরের পার্থসহ অনেকেই একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।

তাদের অভিযোগ, বাইকের তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকের দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহে দেখা দেওয়া এই কৃত্রিম সংকট দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।এদিকে জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে। দ্রুত পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

তীব্র জ্বালানি সংকট: পেট্রোল–অকটেন বিক্রি বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে বাইকাররা।

প্রকাশ : ০১:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

আখতারুজ্জামান সোহাগ গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি।

গাজীপুরে হঠাৎ করে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশন পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রিয়াজ ফিলিং স্টেশন, মাহবুব ফিলিং স্টেশন, হাজী ফিলিং স্টেশন, ইউনিয়ন ফিলিং স্টেশন, চৌধুরী ফিলিং স্টেশন, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে হোসেইন অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশন, মুকুল ফিলিং স্টেশন,কালিগন্জে তাইবা ফিলিং স্টেশন এবং সালনা হংকং ফিলিং স্টেশনসহ জেলার অধিকাংশ পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে।

কিছু কিছু ফিলিং স্টেশনে সীমিত পরিমাণে ডিজেল বিক্রি করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। অনেক বাইকারের বাইকের তেল শেষ হয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন পাম্পে ঘুরেও তেল পাচ্ছেন না।জয়দেবপুর দক্ষিণ ছায়াবীথি এলাকার বাইকার ও বাসিন্দা শাহরিয়ার মনিম বলেন,
“বাইকের তেল শেষ হয়ে গেছে।

কয়েকটি পাম্প ঘুরেও কোথাও পেট্রোল পাইনি। এতে স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হচ্ছে।” গাজীপুর বাইপাস এলাকার বাসিন্দা ও বাইকার আব্দুস সালাম জানান,“হঠাৎ করে পেট্রোল-অকটেন না থাকায় কাজে যাওয়া–আসা কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত এই সংকট সমাধান করা প্রয়োজন।”শফিপুর–মৌচাক এলাকার বাসিন্দা ও বাইকার ইমন হাওলাদার, মাওনা–রাজেন্দ্রপুর এলাকার বাইকার শুভ, পুবাইলের আলম, কাপাসিয়ার আরিফ, টংগীর কলেজ গেট এলাকার ফয়সাল এবং কালিয়াকৈরের পার্থসহ অনেকেই একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।

তাদের অভিযোগ, বাইকের তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকের দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহে দেখা দেওয়া এই কৃত্রিম সংকট দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।এদিকে জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে। দ্রুত পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।