০২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুরনো গ্রাহকদের সুখবর দিলো ইভ্যালি

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,
  • প্রকাশ : ০৬:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪
  • / 71

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি আগামী মে মাস থেকে চেকসহ পুরোনো গ্রাহক ও মার্চেন্ট সকল দেনার টাকা পরিশোধ করা শুরু করবে। আর চলতি জানুয়ারি মাস থেকে গেটওয়েতে আটকে থাকা অবশিষ্ট টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হবে।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ইভ্যালির প্রধান কার্যালয় ধানমন্ডি থেকে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মাদ রাসেল।
তিনি বলেন, ইভ্যালির কাছে সাধারণ গ্রাহক এবং মার্চেন্টরা সব মিলিয়ে ৫০০ কোটি টাকা পাবেন। এর মধ্যে সাধারণ গ্রাহকরা ৩৫০ কোটি টাকা, সেই হিসেবে আনুমানিক ৩ লাখ গ্রাহকের কাছে গড়ে দেনা ১০ হাজার টাকার মতো।
অন্যদিকে মার্চেন্টরা পাবেন ১৫০ কোটি টাকা। সবার পাওনাই পরিশোধ করা হবে। দায় দেনা সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য পূর্ণাঙ্গ অডিটের পর পাওয়া সম্ভব হবে ৷ ইভ্যালি স্ট্যাবল হলে তিন চার মাস পরে নতুন করে অডিট শুরু হবে বলেও উল্লেখ করেন রাসেল।
ইভ্যালির সিইও বলেন, জাতীয় নির্বাচনের কারণে ‘বিগ ব্যাং’ অফারের আওতায় গ্রাহকদের কাছে পণ্য পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হয়েছে। কিন্তু কোনো অর্ডার ফেইল করেনি। অর্থাৎ কেউ পণ্য পায়নি এমন অভিযোগ নেই।
তিনি জানান, গত ডিসেম্বরের ‘বিগ ব্যাং’ ক্যাম্পেইনে ৩৫ লাখ টাকা মুনাফা করেছে ইভ্যালি। লোকসান দিয়ে আর কখনোই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবে না ইভ্যালি।
মোহাম্মাদ রাসেল আরও বলেন, গুণগত মানের কারণে গ্রাহকের কোনো পণ্য পছন্দ না হলে সরাসরি ফেরত নেবে ইভ্যালি। এ ক্ষেত্রে কুরিয়ার চার্জসহ সম্পূর্ণ অর্থ গ্রাহককে ফেরত দেওয়া হবে। ইভ্যালির নিবন্ধিত কোনো সেলারের পণ্য গুণগত মানে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হলে তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে।
সব দেনা পরিশোধ করতে কত সময় লাগবে এমন প্রশ্নের জবাবে ইভ্যালির সিইও বলেন, সকল ধরনের দেনা শোধ করতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ চলে আসলে আরও আগেই আমরা দেনা শোধ করতে পারব।
অতীতে ব্যবসায়িক মডেলে ভুল ছিল স্বীকার করে রাসেল বলেন, বিজনেস প্রক্রিয়ায় ভুল ছিল। কিন্তু দুর্নীতি করি নাই। যেহেতু দুর্নীতি করি নাই, পালিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তিনি আরও বলেন, ইভ্যালির নতুন ব্যবসায়িক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সকল পণ্য সিওডিতে (ক্যাশ অন ডেলিভারি) দিচ্ছি। আগে গ্রাহকেরা পণ্য পাওয়ার আগেই সরাসরি ইভ্যালিকে টাকা পরিশোধ করত। কিন্তু এবার ক্যাশ অন ডেলিভারি হওয়ায় গ্রাহকের কোনো ঝুঁকি নেই। এ ছাড়া গ্রাহকের পরিশোধ করা পণ্যের মূল্য এখন থেকে সরাসরি বিক্রেতার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে বিক্রেতারও কোনো বাকি পড়ার ঝুঁকি নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

পুরনো গ্রাহকদের সুখবর দিলো ইভ্যালি

প্রকাশ : ০৬:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি আগামী মে মাস থেকে চেকসহ পুরোনো গ্রাহক ও মার্চেন্ট সকল দেনার টাকা পরিশোধ করা শুরু করবে। আর চলতি জানুয়ারি মাস থেকে গেটওয়েতে আটকে থাকা অবশিষ্ট টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হবে।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ইভ্যালির প্রধান কার্যালয় ধানমন্ডি থেকে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মাদ রাসেল।
তিনি বলেন, ইভ্যালির কাছে সাধারণ গ্রাহক এবং মার্চেন্টরা সব মিলিয়ে ৫০০ কোটি টাকা পাবেন। এর মধ্যে সাধারণ গ্রাহকরা ৩৫০ কোটি টাকা, সেই হিসেবে আনুমানিক ৩ লাখ গ্রাহকের কাছে গড়ে দেনা ১০ হাজার টাকার মতো।
অন্যদিকে মার্চেন্টরা পাবেন ১৫০ কোটি টাকা। সবার পাওনাই পরিশোধ করা হবে। দায় দেনা সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য পূর্ণাঙ্গ অডিটের পর পাওয়া সম্ভব হবে ৷ ইভ্যালি স্ট্যাবল হলে তিন চার মাস পরে নতুন করে অডিট শুরু হবে বলেও উল্লেখ করেন রাসেল।
ইভ্যালির সিইও বলেন, জাতীয় নির্বাচনের কারণে ‘বিগ ব্যাং’ অফারের আওতায় গ্রাহকদের কাছে পণ্য পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হয়েছে। কিন্তু কোনো অর্ডার ফেইল করেনি। অর্থাৎ কেউ পণ্য পায়নি এমন অভিযোগ নেই।
তিনি জানান, গত ডিসেম্বরের ‘বিগ ব্যাং’ ক্যাম্পেইনে ৩৫ লাখ টাকা মুনাফা করেছে ইভ্যালি। লোকসান দিয়ে আর কখনোই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবে না ইভ্যালি।
মোহাম্মাদ রাসেল আরও বলেন, গুণগত মানের কারণে গ্রাহকের কোনো পণ্য পছন্দ না হলে সরাসরি ফেরত নেবে ইভ্যালি। এ ক্ষেত্রে কুরিয়ার চার্জসহ সম্পূর্ণ অর্থ গ্রাহককে ফেরত দেওয়া হবে। ইভ্যালির নিবন্ধিত কোনো সেলারের পণ্য গুণগত মানে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হলে তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে।
সব দেনা পরিশোধ করতে কত সময় লাগবে এমন প্রশ্নের জবাবে ইভ্যালির সিইও বলেন, সকল ধরনের দেনা শোধ করতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ চলে আসলে আরও আগেই আমরা দেনা শোধ করতে পারব।
অতীতে ব্যবসায়িক মডেলে ভুল ছিল স্বীকার করে রাসেল বলেন, বিজনেস প্রক্রিয়ায় ভুল ছিল। কিন্তু দুর্নীতি করি নাই। যেহেতু দুর্নীতি করি নাই, পালিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তিনি আরও বলেন, ইভ্যালির নতুন ব্যবসায়িক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সকল পণ্য সিওডিতে (ক্যাশ অন ডেলিভারি) দিচ্ছি। আগে গ্রাহকেরা পণ্য পাওয়ার আগেই সরাসরি ইভ্যালিকে টাকা পরিশোধ করত। কিন্তু এবার ক্যাশ অন ডেলিভারি হওয়ায় গ্রাহকের কোনো ঝুঁকি নেই। এ ছাড়া গ্রাহকের পরিশোধ করা পণ্যের মূল্য এখন থেকে সরাসরি বিক্রেতার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। ফলে বিক্রেতারও কোনো বাকি পড়ার ঝুঁকি নেই।