০১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রাহকদের টাকার সাথে ফিলিং স্টেশনে পেট্রোলের পরিমাণের গরমিলের অভিযোগ।

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।
  • প্রকাশ : ০২:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 9

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।
—————–
গোপালগঞ্জ জেলা সদরসহ উপজেলার ফিলিং স্টেশন গুলোর গ্রাহকের টাকার সাথে পেট্রোল পাম্পের জ্বালানি তেল সরবরাহ সঠিক আছে কিনা (বিশেষ করে মোটরসাইকেলে দেওয়ার সময়।)। এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারী প্রয়োজন। সমগ্র বাংলাদেশে জ্বালানি তেল সংকটে ভুগছে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল চালিত যাণবাহনের মালিকেরা।

জ্বালানি তেল ফিলিং স্টেশন থেকে পাওয়াটা যেন আমা বর্ষের চাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কাঙ্ক্ষিত তেলের পরিমাণের সাথে গ্রাহকদের টাকার পরিমাণের মিল না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে নাম না জানাতে এক মটর সাইকেল চালক বলেন, আমি রোদে পুড়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ঘণ্টার পর ঘন্টা কাজ কর্ম ফেলে রেখে গাড়ি নিয়ে ৩০০ টাকার পেট্রোলের জন্য অপেক্ষা করেছি। অবশেষে টাকার পরিমাণের তেল পাই। পরবর্তীতে দেখতে পাই ঐ তেলের সাথে আমার গাড়ির মাইলেসের পূর্বের ন্যায় কোনো মিল নাই।

যাচাই বাছাই করে দেখলাম সব ঠিক আছে, সমস্য হয়েছে তেলে। আমি ঐ ফিলিং স্টেশনের নাম প্রকাশ করে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাই না। তবে ঐ পেট্রোল পাম্পের অনিয়ম নিয়ে আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। আমি জেলা প্রশাসনের নিকট ব্যপারটি নজরে এনে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করার আবেদন করছি। গোপালগঞ্জে সব ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা পার করে বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবী ও কর্মজীবী,মোটর সাইকেল, অন্যান্য যানবাহনের মালিকেরা।

কি কারণে এই জ্বালানি তৈল সংকটে পড়েছে সারাদেশ তা সবার অজানা নয়। এই সংকটময় মুহূর্তে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের তদারকিতে সুশৃঙ্খল পরিবেশে সাধ্য মতে তেল সরবরাহ করছে পাম্প মালিকেরা। অন্য দিকে গ্রাহকরা তেলের পরিমাণের সাথে মিল রেখে গাড়ি কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছানোর আগেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

ভোগান্তিতে পড়ছে চালকরা, হিসেবে বড়ো রকমের গরমিল দেখা দিচ্ছে। এ ব্যপারে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গ্রাহকের টাকার পরিমাণের সাথে তেলের পরিমাণ ঠিক আছে কিনা, তা প্রতিনিয়ত তদারকির প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

গ্রাহকদের টাকার সাথে ফিলিং স্টেশনে পেট্রোলের পরিমাণের গরমিলের অভিযোগ।

প্রকাশ : ০২:০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।
—————–
গোপালগঞ্জ জেলা সদরসহ উপজেলার ফিলিং স্টেশন গুলোর গ্রাহকের টাকার সাথে পেট্রোল পাম্পের জ্বালানি তেল সরবরাহ সঠিক আছে কিনা (বিশেষ করে মোটরসাইকেলে দেওয়ার সময়।)। এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারী প্রয়োজন। সমগ্র বাংলাদেশে জ্বালানি তেল সংকটে ভুগছে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল চালিত যাণবাহনের মালিকেরা।

জ্বালানি তেল ফিলিং স্টেশন থেকে পাওয়াটা যেন আমা বর্ষের চাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কাঙ্ক্ষিত তেলের পরিমাণের সাথে গ্রাহকদের টাকার পরিমাণের মিল না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে নাম না জানাতে এক মটর সাইকেল চালক বলেন, আমি রোদে পুড়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ঘণ্টার পর ঘন্টা কাজ কর্ম ফেলে রেখে গাড়ি নিয়ে ৩০০ টাকার পেট্রোলের জন্য অপেক্ষা করেছি। অবশেষে টাকার পরিমাণের তেল পাই। পরবর্তীতে দেখতে পাই ঐ তেলের সাথে আমার গাড়ির মাইলেসের পূর্বের ন্যায় কোনো মিল নাই।

যাচাই বাছাই করে দেখলাম সব ঠিক আছে, সমস্য হয়েছে তেলে। আমি ঐ ফিলিং স্টেশনের নাম প্রকাশ করে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাই না। তবে ঐ পেট্রোল পাম্পের অনিয়ম নিয়ে আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। আমি জেলা প্রশাসনের নিকট ব্যপারটি নজরে এনে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করার আবেদন করছি। গোপালগঞ্জে সব ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও অকটেন নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা পার করে বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবী ও কর্মজীবী,মোটর সাইকেল, অন্যান্য যানবাহনের মালিকেরা।

কি কারণে এই জ্বালানি তৈল সংকটে পড়েছে সারাদেশ তা সবার অজানা নয়। এই সংকটময় মুহূর্তে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের তদারকিতে সুশৃঙ্খল পরিবেশে সাধ্য মতে তেল সরবরাহ করছে পাম্প মালিকেরা। অন্য দিকে গ্রাহকরা তেলের পরিমাণের সাথে মিল রেখে গাড়ি কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছানোর আগেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

ভোগান্তিতে পড়ছে চালকরা, হিসেবে বড়ো রকমের গরমিল দেখা দিচ্ছে। এ ব্যপারে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গ্রাহকের টাকার পরিমাণের সাথে তেলের পরিমাণ ঠিক আছে কিনা, তা প্রতিনিয়ত তদারকির প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করছি।