সাংবাদিকরা তেল নিয়ে বাহিরে বিক্রয় করে-মিতা ফিলিং স্টেশনের মালিক মাসুদ।
- প্রকাশ : ০৯:৩২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
- / 7
জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।
জেলা প্রতিনিধ-গোপালগঞ্জ।
গোপালগঞ্জের সাংবাদিকরা ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিয়ে তা বিক্রি করে দেয়, জন-সম্মুখ্যে এ কথা বললেন,গোপালগঞ্জ বেদগ্রাম মিতা ফিলিং স্টেশনের মালিক শেখ মাসুদুর রহমান। মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টার সময় এ কথা তিনি বলেন। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও এ ডি এম, মুঠোফোনে মাসুদকে এক সাংবাদিককে পেট্রোল দেবার কথা বলেন, পরবর্তীতে ঐ সাংবাদিক পেট্রোল আনতে গেলে সাংবাদিকদের সম্পর্কে এই মিথ্যা ও কটূক্তি মূলক কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি নিজেকে গোপালগঞ্জের বড় সাংবাদিক বলে পরিচয় দেন।
এই মাসুদুর রহমান একজন স্কুল মাস্টার এর ছেলে বেদগ্রামেই বাড়ি মাসুদের পিতার নাম রব মাস্টার । বর্তমানে তিনি জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, একাধিক রাষ্ট্র দ্রোহ মামলার আসামি হাসানুল হক ইনুর কমিটির গোপালগঞ্জ জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। বিগত সরকারের আমলে শেখ লিপুর হাত ধরে ঠিকাদারি ও সমবায় সকল সংস্থা থেকে অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছে শতকোটি টাকা। তা ছাড়া তিনি গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সিদ্দিক সিকদার ও সাবেক মেয়র কাজী লিয়াকত আলি লিকুর ব্যাবসায়িক পাটনার।
জানা যায়,তিনি বহু বছর আগে দৈনিক জনতা নামক একটি পত্রিকার কার্ডধারী একজন সাংবাদিক ছিলেন। এক সময়ে তিনি প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময়কার প্রেসক্লাব ছিল একটি বাণিজ্যিক ও পকেট সংগঠন। তিনি এই মিতা ফিলিং স্টেশন করার জন্য শহর সংলগ্ন বেদগ্রাম মোড়ের একটি দামি জায়গা সরকারের কাছ থেকে লিজ নেয়। ফিলিং স্টেশনের জন্য পাশাপাশি তিনি ঐ জায়গার চার পাশ দিয়ে অবৈধভাবে মার্কেট করে ভাড়া দিয়ে কামিয়ে নিচ্ছে প্রতি মাসে লক্ষ টাকা। বিগত সরকারের আমলে ১৪ দলীয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিল সে। এরই সুবাদে তিনি জেলা মুক্তিযোদ্ধা ব্যাবসায়িক একটি বড় রুম তার নামে বরাদ্দ নিয়ে গোপালগঞ্জ জেলা জাসদের কার্যালয় করেন। বর্তমানে তা চলমান।
তিনি বিগত সরকারের আমলে তাদের দোসর হিসেবে, হিসাব ছাড়া অর্থ কামিয়েও বর্তমানে বুক ফুলিয়ে চলা ফেরা করে বেড়াচ্ছে। ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গোপালগঞ্জের বহু সাধারণ মানুষ হামলা মামলা ও জেল হাজত এড়াতে পারে নাই। কিন্তু এই মাসুদুর রহমান অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিভাবে? কার হাত ধরে প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে? এর খুঁটির জোর কোথায়? সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মনগড়া কথার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, সেই সাথে উপরোক্ত সকল বিষয়াদি নজরে এনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।




















