১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে মাসজুড়ে ডেঙ্গু মশানিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

এইচ,এম আওলাদ জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ। 
  • প্রকাশ : ০২:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 2

এইচ,এম আওলাদ জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ। 

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’উপলক্ষে গোপালগঞ্জে জেলা পরিষদের আয়োজনে  তিন মাসব্যাপী বিশেষ ডেঙ্গু মশক নিধন কার্যক্রম শুরু । এ কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস, মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামান। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজ্জমুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান এর পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শোভন সরকার।

পুলিশ সুপার (বিপিএম-সেবা) মো. হাবীবুল্লাহ এর পক্ষে মোহাম্মাদ কাজী হুমায়ুন রশীদ সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক, এ সময়  প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে ঢাকা বিভাগের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক আজ্জমুল হক বলেন, বর্ষাকালে বিভিন্ন ধরণের গাছের ডালপালার বৃদ্ধি তুলনা মুলক ভাবে বেড়ে যায় এগুলো তাৎক্ষনিক ভাবে কেটে ছেটে পরিস্কার করে রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু মশার কামড়ানোর কোন সময় নাই যে কোন সময়েই এই মশা কামড়াতে পারে এ বিষয়টির উপর গুরুত্ব দিতে হবে। আরও উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার অমলচন্দ্র পাল, পরিচালক – ডাক্তার নিয়াজ মোহাম্মদ, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম রকিবুল ইসলাম,  সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

কর্মসূচির আওতায় নিয়মিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধন অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ডেঙ্গুর লার্ভা ও মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করে তা ধ্বংস করা হবে। বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন কার্যক্রম যথেষ্ট নয়।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। নিজেদের বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের আয়োজনে তিন মাসব্যাপী এ বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও মশকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

গোপালগঞ্জে মাসজুড়ে ডেঙ্গু মশানিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

প্রকাশ : ০২:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এইচ,এম আওলাদ জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ। 

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’উপলক্ষে গোপালগঞ্জে জেলা পরিষদের আয়োজনে  তিন মাসব্যাপী বিশেষ ডেঙ্গু মশক নিধন কার্যক্রম শুরু । এ কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গুর প্রজননস্থল ধ্বংস, মশক নিধন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফ রফিকউজ্জামান। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজ্জমুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান এর পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শোভন সরকার।

পুলিশ সুপার (বিপিএম-সেবা) মো. হাবীবুল্লাহ এর পক্ষে মোহাম্মাদ কাজী হুমায়ুন রশীদ সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক, এ সময়  প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে ঢাকা বিভাগের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক আজ্জমুল হক বলেন, বর্ষাকালে বিভিন্ন ধরণের গাছের ডালপালার বৃদ্ধি তুলনা মুলক ভাবে বেড়ে যায় এগুলো তাৎক্ষনিক ভাবে কেটে ছেটে পরিস্কার করে রাখতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু মশার কামড়ানোর কোন সময় নাই যে কোন সময়েই এই মশা কামড়াতে পারে এ বিষয়টির উপর গুরুত্ব দিতে হবে। আরও উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার অমলচন্দ্র পাল, পরিচালক – ডাক্তার নিয়াজ মোহাম্মদ, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম রকিবুল ইসলাম,  সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

কর্মসূচির আওতায় নিয়মিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধন অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ডেঙ্গুর লার্ভা ও মশার প্রজননস্থল শনাক্ত করে তা ধ্বংস করা হবে। বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন কার্যক্রম যথেষ্ট নয়।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। নিজেদের বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে। গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের আয়োজনে তিন মাসব্যাপী এ বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও মশকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।