০২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাক আটকে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ভোগান্তি বাড়ছে

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৪:৪১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০
  • / 42

মোঃ সাহাব উদ্দিন,কক্সবাজার
চলছে সড়কের উন্নয়ন কাজ। তার উপর বর্ষায় বৃষ্টির ঝনঝনানি। নামছে পাহাড়ি ঢল। সব মিলিয়ে মহেশখালীর প্রধান সড়ক দুটির নাজুক অবস্থা। যান চলাচলের বিকল্প রাস্তা না থাকায় একই রাস্তা দিয়েই যান চলাচল করছে। আর বাড়ছে জনদুর্ভোগ। প্রতিদিন সড়কের কোন না কোন গর্তে বা সড়ক ভেঙ্গে ছোট বড় গাড়ি আটকে যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে বলে স্থানীয়রা জানান।
৯ জুলাই দুপুর ১২টায় হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজির পাড়া গ্রামে পাথরবাহী ট্রাক আটকে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আটকে যায় রাস্তার দুই পাশে শতাধিক গাড়ি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রী ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. রায়হান জানান, নির্মানাধীন রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা দরকার ছিল। প্রতিদিন ভারী যানবাহন প্রবেশ করায় জনদুর্ভোগের পাশাপাশি সড়কের ক্ষতি হচ্ছে।
রফিকুল ইসলাম নামের এক যাত্রী জানান, জরুরী কাজে চকরিয়া যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে আটকে গেলাম। এখন যদি রোগীবাহী গাড়ি আসে তবে কি হবে ভেবে দেখেছেন?
এদিকে সড়কের উন্নয়ন কাজকে সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত দাবী করে স্থানীয়রা জানান, বর্ষায় টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারণে সড়কে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের পাশ ভেঙ্গেছে। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই যান চলাচল সহ জনসাধারণের দৈনন্দিন কাজ করতে হচ্ছে।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জামিরুল ইসলাম জানান, দ্রুত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ট্রাক আটকে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ ভোগান্তি বাড়ছে

প্রকাশ : ০৪:৪১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০

মোঃ সাহাব উদ্দিন,কক্সবাজার
চলছে সড়কের উন্নয়ন কাজ। তার উপর বর্ষায় বৃষ্টির ঝনঝনানি। নামছে পাহাড়ি ঢল। সব মিলিয়ে মহেশখালীর প্রধান সড়ক দুটির নাজুক অবস্থা। যান চলাচলের বিকল্প রাস্তা না থাকায় একই রাস্তা দিয়েই যান চলাচল করছে। আর বাড়ছে জনদুর্ভোগ। প্রতিদিন সড়কের কোন না কোন গর্তে বা সড়ক ভেঙ্গে ছোট বড় গাড়ি আটকে যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে বলে স্থানীয়রা জানান।
৯ জুলাই দুপুর ১২টায় হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজির পাড়া গ্রামে পাথরবাহী ট্রাক আটকে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আটকে যায় রাস্তার দুই পাশে শতাধিক গাড়ি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রী ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. রায়হান জানান, নির্মানাধীন রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা দরকার ছিল। প্রতিদিন ভারী যানবাহন প্রবেশ করায় জনদুর্ভোগের পাশাপাশি সড়কের ক্ষতি হচ্ছে।
রফিকুল ইসলাম নামের এক যাত্রী জানান, জরুরী কাজে চকরিয়া যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে আটকে গেলাম। এখন যদি রোগীবাহী গাড়ি আসে তবে কি হবে ভেবে দেখেছেন?
এদিকে সড়কের উন্নয়ন কাজকে সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত দাবী করে স্থানীয়রা জানান, বর্ষায় টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারণে সড়কে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের পাশ ভেঙ্গেছে। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়েই যান চলাচল সহ জনসাধারণের দৈনন্দিন কাজ করতে হচ্ছে।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জামিরুল ইসলাম জানান, দ্রুত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ করা হচ্ছে।