সাজানো নির্বাচনে আর যাবো না: তৈমূর
- প্রকাশ : ১০:২৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪
- / 107
সরকার নির্বাচনকে কুক্ষিগত করে রেখেছে মন্তব্য করে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, আমরা সাজানো নির্বাচনে আর যাবো না। আমাদের সব প্রার্থী ঢাকা আসবে। তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট দেবো।
বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তৈমূর বলেন, তৃণমূল বিএনপি রাজনীতি করবে। আমরা সবসময় রাজপথে ছিলাম। বাকি জীবনও আমাকে রাজপথেই থাকতে হবে। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তত্বাবধায়ক সরকারের কথা তুলে ধরেছিলেন। আমরা এগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবো।
নির্বাচন হয়েছে সরকার বনাম সরকার, দেশ একদলীয় শাসনের দিকে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের জন্য দেশে সুষ্ঠু রাজনীতি সম্ভব না। আগামী প্রজন্মও পারবে না। তৃতীয় প্রজন্ম হয়তো পারবে।
তিনি বলেন, সরকার ভাবে ক্ষমতা ছাড়লে আমাকে জেলে যেতে হবে। সে কারণেই ওরা নির্বাচন কুক্ষিগত করে। নির্বাচন কমিশনের কোনো ক্ষমতা নেই। তারা প্রশাসন ও সরকারের আজ্ঞাবহ।
তিনি বলেন, রূপগঞ্জের দুটি সন্ত্রাসী বাহিনী শমসের ডাকাত ও রীতা মেম্বার। তাদের সম্পর্কে আমরা বারবার নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে বলে এসেছি। আমাদের কাছে ডকুমেন্টস আছে। আমরা বলেছি এরকম সিরিজ মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনা হোক। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি।
তিনি জানান, নির্বাচনের দিন চনপাড়ায় রেজাল্ট ঘোষণার পর সমশের বাহিনী ও রিতা বাহিনী আমার কর্মীদের বাড়িঘর লুটপাট করে। আমি আজ এই পরিবারটিকে নিয়ে এসপি অফিসে এসেছি। এসপি আশ্বস্ত করেছেন, তারা নির্বিঘ্নে চনপাড়ায় বসবাস করতে পারবে। তিনি ওসিকে ফোনে নির্দেশনাও দিয়েছেন।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার। এই আসনে এক লাখ ৫৬ হাজাার ৪৮৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন নৌকার প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী।
আর তৈমূর ভোট পান মাত্র তিন হাজার ১৯০। যা পড়া মোট ভোটের দেড় শতাংশ। মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ অন্তত সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয় তৈমূরের।




















