জামায়াত-বিএনপি জয়-পরাজয় টানটান উত্তেজনা, নীরব ভোট ফ্যাক্টর, হুমকি-ধামকি নজরে রূপগঞ্জ নির্বাচনী বাস্তব চিত্র
- প্রকাশ : ০১:০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 21
জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।
মোঃ আশরাফ আলী, নারায়ণগঞ্জ।
নারায়ণগঞ্জ-১, রূপগঞ্জ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (ধানের শীষ) একজন জনপ্রিয় তরুণ, সজ্জন ও জনবান্ধব নেতা। তিনি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে বিএনপির শৃঙ্খলাপূর্ণ কর্মকাণ্ডে অভিজ্ঞ। তাঁর ব্যক্তিগত গুণাবলী, জনসংযোগ এবং কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্কের কারণে তিনি সমর্থকদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছু নেতিবাচক দিকও লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচনী প্রচারণায় তারা ব্যানার ও ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা, জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে আগুন ধরানো, প্রচারণায় বাধা প্রদান এবং ভোটার ও কর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন। তারা দীপু ভূঁইয়ার বক্তব্য বিরোধী কর্মকান্ড ও হুমকি-ধামকি বিভিন্ন এলাকায় দিয়ে যাচ্ছেন। তারা বিএনপি দলকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
জামায়াত এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা শৃঙ্খলা, নির্ভরযোগ্যতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রচারণার মাধ্যমে মাঠে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছেন। তাদের কার্যক্রমে জনসংযোগ, স্থানীয় সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, মহিলা ও তরুণ ভোটারদের প্রতি মনোযোগ, স্থানীয় সমস্যা সমাধান, মাদক, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যু, লুটেরা দমন উদ্যোগ ও ভয়ভীতি হীন নিরাপদ জীবনের কথা বলে জনগণের আস্থা অর্জনে ভূমিকা রাখছেন এবং নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই সমস্ত দিক তাদের সমর্থকদের মধ্যে বিশ্বাস এবং স্থিতিশীলতা তৈরি করেছে।
ভোটের নীতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা প্রায় প্রতিটি এলাকায় হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে ৩ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা মোঃ ইয়াসিন মোল্লা এবং তারাবো পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ তৌহিদুল ইসলাম রফিক মোল্লা এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গরা স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মী, ভোটার ও কর্মী সমর্থকদের উপর হুমকির আভাস দেখাচ্ছেন।একই সঙ্গে, নির্বাচনী ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিক নাজমুল হুদা (আহ্বায়ক-রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাব, সহসভাপতি- পূর্বাচল প্রেসক্লাব),
মোঃ মাহবুবুর রহমান (ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, পূর্বাচল প্রেস ক্লাব) এবং মাইনুল ইসলাম মাহিন (স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, পূর্বাচল প্রেসক্লাব)-কেও ইঙ্গিতমূলকভাবে ‘দেখে নেওয়া হবে’ বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকিগুলো ইঙ্গিতমূলক হওয়ায় এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ৫ আগস্ট পরবর্তী সাংবাদিকতা, বাকস্বাধীনতা ও স্বাধীন গণতন্ত্র চর্চায় নির্বাচনী কার্যক্রমে বাধা-প্রদানের এই হুমকি নির্বাচনী উত্তেজনার মধ্যে অতিরিক্ত ভয় তৈরি করছে।
নির্বাচনকে ঘিরে এই নীরব ভোট ফ্যাক্টর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ভোটাররা অতীতের রাজনৈতিক আচরণ, হুমকি-ধামকি এবং দলীয় অশৃঙ্খলার প্রেক্ষাপটে নিজের ভোট গোপন রাখছেন। এই কারণেই বিএনপি নেতাকর্মীদের ক্ষোভের শিকার হয়ে সাংবাদিকরা হুমকির মুখোমুখি হচ্ছেন।




















