০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টুংগীপাড়ায় ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযুক্ত গ্রেপ্তার।

এইচ,এম আওলাদ জেলা প্রতিনিধি- গোপালগঞ্জ।
  • প্রকাশ : ০১:৫৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • / 11

এইচ,এম আওলাদ জেলা প্রতিনিধি- গোপালগঞ্জ।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৯ বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে জাকির হোসেন (জাকারিয়া) শেখ, (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে তারাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নূরজাহান (৯) তারাইল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চর গোপালপুর সবুরোননেছা কওমিয়া মহিলা মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

তার পিতা আলাল খাঁ ও মাতা মনিরা বেগম। অভিযুক্ত জাকির হোসেন (জাকারিয়া) শেখের পিতা মৃত বারিক শেখ। বর্তমানে তিনি পাটগাতি সর্দারপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। শিশুটির চাচা ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী মোহাম্মদ জালাল খান জানান, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে নূর জাহান পানি আনতে গেলে অভিযুক্ত জাকির হোসেন তাকে কলা খাওয়ানোর কথা বলে নিজের ঘরের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে মেয়েকে না পেয়ে মা মনিরা বেগম খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তের ঘরের ভেতর থেকে শিশুর চিৎকার শুনে দরজায় ধাক্কা দেন। তখন জাকির হোসেন শিশুটিকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে পুনরায় দরজা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বিষয়টি শিশুটির মামাকে জানানো হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা খুলে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা অভিযুক্তকে ঘরের ভেতরে পাই।

পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।” টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, এ ঘটনায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মা মনিরা বেগম বলেন, “আমার নাবালিকা মেয়ের সঙ্গে যে ঘটনার চেষ্টা করা হয়েছে, আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।” এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

টুংগীপাড়ায় ৯ বছরের শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযুক্ত গ্রেপ্তার।

প্রকাশ : ০১:৫৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

এইচ,এম আওলাদ জেলা প্রতিনিধি- গোপালগঞ্জ।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ৯ বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে জাকির হোসেন (জাকারিয়া) শেখ, (৫৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে তারাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নূরজাহান (৯) তারাইল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চর গোপালপুর সবুরোননেছা কওমিয়া মহিলা মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

তার পিতা আলাল খাঁ ও মাতা মনিরা বেগম। অভিযুক্ত জাকির হোসেন (জাকারিয়া) শেখের পিতা মৃত বারিক শেখ। বর্তমানে তিনি পাটগাতি সর্দারপাড়া এলাকায় বসবাস করেন। শিশুটির চাচা ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী মোহাম্মদ জালাল খান জানান, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে নূর জাহান পানি আনতে গেলে অভিযুক্ত জাকির হোসেন তাকে কলা খাওয়ানোর কথা বলে নিজের ঘরের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে মেয়েকে না পেয়ে মা মনিরা বেগম খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তের ঘরের ভেতর থেকে শিশুর চিৎকার শুনে দরজায় ধাক্কা দেন। তখন জাকির হোসেন শিশুটিকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে পুনরায় দরজা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বিষয়টি শিশুটির মামাকে জানানো হলে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা খুলে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা অভিযুক্তকে ঘরের ভেতরে পাই।

পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।” টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, এ ঘটনায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মা মনিরা বেগম বলেন, “আমার নাবালিকা মেয়ের সঙ্গে যে ঘটনার চেষ্টা করা হয়েছে, আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।” এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।