০৮:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালে অগ্নিকান্ডে মৃত্যু; ছেলের চিকিৎসা করানোও হলো না কুলছুমার

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।
  • প্রকাশ : ০১:২২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 4

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ছেলের চিকিৎসা করানো হলো না কুলছুমার। গত ১৪ই সেপ্টেম্বর সোমবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পদদলিতে নিহত হয়েছে কুলছুমা। গতকাল সরেজমিন কুলছুমার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় পরিবারটি সুখে পাথর হয়ে গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার বালিখাঁ মধ্যপাড়া গ্রামের হত দরিদ্র শহিদুল ইসলাম ও কুলছুমা দম্পতির ৩য় সন্তান স্বাধীন মিয়া (১২) জন্ডিস সহ নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের ৩০নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ছেলের চিকিৎসার জন্য সেবা করতে যায় তার মা কুলছুমা ও বোন মিম আক্তার। কুলছুমার মিম আক্তার জানান তারা নতুন বিল্ডিং এর পাচ তলায় অবস্থান করছিলো।

তখন এ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের সময় রোগী ও স্বজনরা তাড়াহুড়ো করে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় লোকজনের চাপে কুলছুমা ও তার মেয়ে ও চিকিৎসারত স্বাধীন আলাদা হয়ে ছিটকে পড়ে। তখন পদদলিতে কুলছুমা গুরুতর আহত হয়। তখন লোকজনকে ডেকে সহযোগিতা চেয়েও পায়নি মিম আক্তার।

মিম আক্তার আরো অভিযোগ করেন পদদলিতে অসুস্থ তার মাকে উদ্ধার করে জরুরী বিভাগে নিলে কতিপয় ব্যক্তি তার কাছে ২০ টাকা দাবি করে। তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন কর্তব্যরত চিকিৎসকের গাফিলতিতে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে।

কুলছুমার স্বামী শহিদুল ইসলাম জানান, যে তারা ঢাকা গাজীপুরে সপরিবারে বসবাস করত। তার ছেলে স্বাধীন জন্ডিসে আক্রান্ত হলে উক্ত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। তার সেবার জন্য আমার স্ত্রী কুলছুমা ও মেয়ে মিম হাসপাতালে অবস্থান করে। এসময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমার স্ত্রী কুলছুমা পদদলিত হয়ে মৃত্যু বরণ করে।

Please Share This Post in Your Social Media

হাসপাতালে অগ্নিকান্ডে মৃত্যু; ছেলের চিকিৎসা করানোও হলো না কুলছুমার

প্রকাশ : ০১:২২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ছেলের চিকিৎসা করানো হলো না কুলছুমার। গত ১৪ই সেপ্টেম্বর সোমবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পদদলিতে নিহত হয়েছে কুলছুমা। গতকাল সরেজমিন কুলছুমার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় পরিবারটি সুখে পাথর হয়ে গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার বালিখাঁ মধ্যপাড়া গ্রামের হত দরিদ্র শহিদুল ইসলাম ও কুলছুমা দম্পতির ৩য় সন্তান স্বাধীন মিয়া (১২) জন্ডিস সহ নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের ৩০নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ছেলের চিকিৎসার জন্য সেবা করতে যায় তার মা কুলছুমা ও বোন মিম আক্তার। কুলছুমার মিম আক্তার জানান তারা নতুন বিল্ডিং এর পাচ তলায় অবস্থান করছিলো।

তখন এ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের সময় রোগী ও স্বজনরা তাড়াহুড়ো করে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় লোকজনের চাপে কুলছুমা ও তার মেয়ে ও চিকিৎসারত স্বাধীন আলাদা হয়ে ছিটকে পড়ে। তখন পদদলিতে কুলছুমা গুরুতর আহত হয়। তখন লোকজনকে ডেকে সহযোগিতা চেয়েও পায়নি মিম আক্তার।

মিম আক্তার আরো অভিযোগ করেন পদদলিতে অসুস্থ তার মাকে উদ্ধার করে জরুরী বিভাগে নিলে কতিপয় ব্যক্তি তার কাছে ২০ টাকা দাবি করে। তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন কর্তব্যরত চিকিৎসকের গাফিলতিতে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে।

কুলছুমার স্বামী শহিদুল ইসলাম জানান, যে তারা ঢাকা গাজীপুরে সপরিবারে বসবাস করত। তার ছেলে স্বাধীন জন্ডিসে আক্রান্ত হলে উক্ত হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। তার সেবার জন্য আমার স্ত্রী কুলছুমা ও মেয়ে মিম হাসপাতালে অবস্থান করে। এসময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমার স্ত্রী কুলছুমা পদদলিত হয়ে মৃত্যু বরণ করে।