০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য হতদরিদ্রের পাশে রাবি ছাত্রলীগ নেতা
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৪:৫৫:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০
- / 94
সাদ্দাম হুসাইন, রাবি প্রতিনিধি
করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) জনিত এই দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উপ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম দূর্জয়।
এই দুর্যোগকালীন সময়ে নিজ জেলা থেকে অসহায় মানুষের টানে ছুটে এসেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।
নিজের শপিংয়ের টাকা দিয়ে অসহায় মানুষ গুলোকে ঈদ উপহার দিলেন এই রাবি ছাত্রলীগ নেতা।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ব্যাংকের সামনে নিজে উদ্যোগে অর্ধশতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গি ও জামা-কাপড়সহ নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন এই নেতা। এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন করোনা সহযোগীতা ফান্ডে আর্থিক ভাবে ও সহযোগীতা করেছেন ছাত্রলীগের এই নেতা।
অসহায়দের সহযোগিতা করতে পেরে নিজের ভালোলাগার অনুভূতি প্রকাশ করে রাবি ছাত্রলীগ নেতা দূর্জয় বলেন, মহামারী করোনার সময় চলে এলো আনন্দের ঈদ।অর্থবানদের জন্য খুশির দিন হলেও অসহায়দের জন্য কষ্টের দিন। যারা মহামারী করোনায় পেটের আহার সময়মতো জোগাতে পারছেনা তাদের তো কষ্টের শেষ নেই। কিন্তু এত কিছুর পরও ঈদে নতুন জামা কিনতে মন চায় সবার। এজন্য ভাবলাম এই সংকটকালে নিজের জন্য মার্কেট না করে অসহায় মানুষগুলোর মার্কেট করার অর্থ ভাগাভাগি করি তাহলে একজনের আনন্দের চেয়ে এটি বেশি আনন্দের হবে। এই চিন্তা থেকে মানুষের সাথে নিজের আনন্দ শেয়ার করা।
ছাত্রলীগ নেতা দূর্জয় আরো বলেন, সত্যি কথা বলতে আমি নিজেও অর্থনৈতিক ভাবে দূর্বল তবুও সুযোগ পেলে মানুষদের সাথে আনন্দ ভাগ করতে ভালো লাগে। তাই আমি মনে করি এই সংকটকালে নিজের জন্য মার্কেট ও বেশি খরচ না করে তার একটি অংশ অসহায় মানুষদের মাঝে ভাগ করে দেওয়াটা সবার উচিৎ ও এটি সময়ের সাহসী মানুষের কাজ হবে।
তিনি বলেন, বিশ্বরত্ন শেখ হাসিনা যখন দেশবাসী কল্যানে বিভিন্ন উপহার ঘোষনা দিচ্ছেন সেখানে আমার ঈদ মার্কেট বিসর্জন দিয়ে অসহায়ের মাঝে সেই অর্থ বিলিয়ে দেওয়ার অস্বাভাবিক কিছু নয়। ছিন্নমূল মানুষের কাছে যখন এই ঈদ উপহার তুলে দিয়েছি মানুষের চোখে মুখে ভালোবাসার ছাপ দেখেছি। এই মানুষের ভালোবাসার চাইতে বড় উপহার বা পাওয়া আর কি হতে পারে? একজন ছাত্রলীগের কর্মী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারক হিসেবে চেষ্টা করছি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। বিশ্বরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনাকে কাজে লাগানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছি।
তাছাড়া,একটা ঈদে কেনাকাটা না করলে আমার কোন সমস্যা হবেনা। আর এতে শপিংমল বা দোকানেও ভিড় কমবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকবে। ফলে করোনা ভাইরাসে এ অসহায় মানুষগুলো সংক্রমিত হবেনা।
সবাইকে যার যার জায়গা থেকে কাজ করে অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে হবে। হাল ছেড়ে না দিয়ে আসুন সবাই একসাথে লড়াইটা চালিয়ে যাই। ইনশাআল্লাহ একদিন আমরা সফল হবো বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাবির এই নেতা।























