১১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নদী থেকে বালু লুটের  কারণে পরিবেশ ও জনজীবনের ভয়াবহ হুমকি

রাসেল রানা, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
  • প্রকাশ : ০২:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 8

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

রাসেল রানা, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ মেরুরচর ইউনিয়নের পুরান টুপকারচর দশানী ব্রীজের নিচ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নির্বাচারে নদী থেকে বালু লুট করছে। এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে নদী ও পরিবেশ ও নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন-জীবিকা। রাতের আঁধারে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে নদীর বুক চিরে তুলে নেওয়া হচ্ছে হাজার হাজার ঘনফুট বালু। প্রতিদিন রাত ৩টা থেকে শুরু করে সকাল ৯টা পর্যন্ত বালু উত্তোলন করে মাহিদ্রা গাড়ি করে নিয়ে যায়। এতে তীব্র নদী ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে।

নদীর বালু উত্তোলনের কারণে বসত ভিটা, ফসলি জমি, রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। বিশেষ করে ব্রীজের নিচ থেকে বালু উত্তোলনের জন্য ব্রীজের পিলারগুলো মাটি থেকে আলাদা হচ্ছে। যেকোন সময় ব্রীজটি ভেঙ্গে যেতে পারে এবং দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান এলাকাবাসী। আইন অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া বালু উত্তোলন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও কার্যকর নজরদারির অভাবে এই অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধ হচ্ছে না। এলাকাবাসী জানান মাঝে মধ্যে অভিযান চালানো হলেও তা স্থায়ী সমাধান আনতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

মেরুরচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু জানান, আমি কয়েক বার এই বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছি তারপরেও তারা রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল হাই জানান, আমরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি। এরপরেও যারা চুরি করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

নদী থেকে বালু লুটের  কারণে পরিবেশ ও জনজীবনের ভয়াবহ হুমকি

প্রকাশ : ০২:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

রাসেল রানা, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ মেরুরচর ইউনিয়নের পুরান টুপকারচর দশানী ব্রীজের নিচ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। প্রভাবশালী চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নির্বাচারে নদী থেকে বালু লুট করছে। এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে নদী ও পরিবেশ ও নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন-জীবিকা। রাতের আঁধারে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে নদীর বুক চিরে তুলে নেওয়া হচ্ছে হাজার হাজার ঘনফুট বালু। প্রতিদিন রাত ৩টা থেকে শুরু করে সকাল ৯টা পর্যন্ত বালু উত্তোলন করে মাহিদ্রা গাড়ি করে নিয়ে যায়। এতে তীব্র নদী ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে।

নদীর বালু উত্তোলনের কারণে বসত ভিটা, ফসলি জমি, রাস্তাঘাট নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। বিশেষ করে ব্রীজের নিচ থেকে বালু উত্তোলনের জন্য ব্রীজের পিলারগুলো মাটি থেকে আলাদা হচ্ছে। যেকোন সময় ব্রীজটি ভেঙ্গে যেতে পারে এবং দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান এলাকাবাসী। আইন অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া বালু উত্তোলন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও কার্যকর নজরদারির অভাবে এই অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধ হচ্ছে না। এলাকাবাসী জানান মাঝে মধ্যে অভিযান চালানো হলেও তা স্থায়ী সমাধান আনতে ব্যর্থ হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

মেরুরচর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু জানান, আমি কয়েক বার এই বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছি তারপরেও তারা রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল হাই জানান, আমরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছি। এরপরেও যারা চুরি করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।