ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সবুজায়নে জেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযান
- প্রকাশ : ০২:০১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
- / 9
কৃষ্ণ কুমার কুন্ডু জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে দেশব্যাপী পরিচালিত বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নীলফামারী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, বাজার এলাকা ও জনসমাগমস্থলে পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদারকি করেন নীলফামারীর মান্যবর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে আরও সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, বরং প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কোথাও যেন জমে থাকা পানি না থাকে এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রাখতে হবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। পরিদর্শন শেষে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং জেলার সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক।
এ সময় তিনি জেলার বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে গাছগুলো সংরক্ষণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, “একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করার আহ্বান জানাই।”
এ সময় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং সবুজায়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।



















