১২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাম রোগী ভর্তি ২১, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে যা বললেন তত্ত্বাবধায়ক ডা.জিবীতেশ বিশ্বাস।

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।
  • প্রকাশ : ০৩:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 8

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ২১ জন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ড. জীবিতেশ বিশ্বাস।
আজ শনিবার (৪, এপ্রিল) সকাল ১০.৩০ মিনিটে হাসপাতালের নিজ কক্ষে ক্রাইম নিউজ কে এ তথ্য প্রদান করেন। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষ কে সচেতন করার লক্ষ্যে হাম রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন তথ্য প্রদান করেন। হাম রোগের প্রধান লক্ষণগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন : হাম রোগ সাধারণত প্রথমে সাধারণ জ্বরের মতো (১০১–১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত জ্বর) মনে হলেও পরে শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

নাক দিয়ে পানি পড়া, শুকনো কাশি, চোখ লাল হওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া মুখের ভেতরে সাদা দানা (কপ লিক স্পট), ৩–৫ দিনের মধ্যে শরীরে লাল ফুসকুড়ি, দুর্বলতা ও খাওয়ায় অরুচি, প্রথমে মুখে ফুসকুড়ি ওঠে, পরে ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। হাম রোগের প্রতিকার ও চিকিৎসা : হাম রোগের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা নেই, তবে সঠিক যত্ন নিলে রোগ ভালো হয়ে যায়। করণীয়— শিশুকে বিশ্রামে রাখতে হবে,বেশি করে পানি ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে, জ্বর কমানোর ওষুধ (ডাক্তারের পরামর্শে), ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো, চোখ পরিষ্কার রাখা, শিশুকে আলাদা রাখা, যাতে অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়।

প্রতিরোধের উপায় : হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা। বাংলাদেশের Expanded Programme on Immunization (EPI) অনুযায়ী— ৯ মাস বয়সে MR টিকা, ১৫ মাস বয়সে MR টিকার দ্বিতীয় ডোজ, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব শিশুকে সময়মতো টিকা দিলে হাম রোগ প্রায় সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস আরো বলেন,হামকে সাধারণ রোগ মনে করে অবহেলা করা ঠিক নয়। সময়মতো চিকিৎসা না করলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। তাই শিশুর জ্বরের সঙ্গে ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

হাম রোগী ভর্তি ২১, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে যা বললেন তত্ত্বাবধায়ক ডা.জিবীতেশ বিশ্বাস।

প্রকাশ : ০৩:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে হাম রোগের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ২১ জন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ড. জীবিতেশ বিশ্বাস।
আজ শনিবার (৪, এপ্রিল) সকাল ১০.৩০ মিনিটে হাসপাতালের নিজ কক্ষে ক্রাইম নিউজ কে এ তথ্য প্রদান করেন। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষ কে সচেতন করার লক্ষ্যে হাম রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ন তথ্য প্রদান করেন। হাম রোগের প্রধান লক্ষণগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন : হাম রোগ সাধারণত প্রথমে সাধারণ জ্বরের মতো (১০১–১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত জ্বর) মনে হলেও পরে শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

নাক দিয়ে পানি পড়া, শুকনো কাশি, চোখ লাল হওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া মুখের ভেতরে সাদা দানা (কপ লিক স্পট), ৩–৫ দিনের মধ্যে শরীরে লাল ফুসকুড়ি, দুর্বলতা ও খাওয়ায় অরুচি, প্রথমে মুখে ফুসকুড়ি ওঠে, পরে ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। হাম রোগের প্রতিকার ও চিকিৎসা : হাম রোগের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা নেই, তবে সঠিক যত্ন নিলে রোগ ভালো হয়ে যায়। করণীয়— শিশুকে বিশ্রামে রাখতে হবে,বেশি করে পানি ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে, জ্বর কমানোর ওষুধ (ডাক্তারের পরামর্শে), ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো, চোখ পরিষ্কার রাখা, শিশুকে আলাদা রাখা, যাতে অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়।

প্রতিরোধের উপায় : হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা। বাংলাদেশের Expanded Programme on Immunization (EPI) অনুযায়ী— ৯ মাস বয়সে MR টিকা, ১৫ মাস বয়সে MR টিকার দ্বিতীয় ডোজ, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব শিশুকে সময়মতো টিকা দিলে হাম রোগ প্রায় সম্পূর্ণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস আরো বলেন,হামকে সাধারণ রোগ মনে করে অবহেলা করা ঠিক নয়। সময়মতো চিকিৎসা না করলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। তাই শিশুর জ্বরের সঙ্গে ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।