ভোট অনিয়মের অভিযোগে তিন প্রার্থীর স্মারকলিপি, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি।
- প্রকাশ : ১২:৪৮:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 27
জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।
হাসান মোর্শেদ, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোট গ্রহণে অনিয়ম ও বাধা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে উপজেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন তিন প্রার্থীর প্রতিনিধিরা।
বুধবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। ২৯৮ নম্বর সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ানের পক্ষে স্মারকলিপি প্রদান করেন প্রবীণ জ্যোতি দেওয়ান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে স্মারকলিপি দেন প্রমোদ মুৎসুদী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে স্মারকলিপি প্রদান করেন আনোয়ার হোসেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমীরণ দেওয়ানের সমর্থকরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনী এলাকায় জোরপূর্বক ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যারা এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। এ সময় ২৯৮ নম্বর আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী চৌধুরীর সমর্থকরা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও এখন থেকেই দীঘিনালায় পোস্টার ও ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে এবং জোরপূর্বক ভোট গ্রহণের চেষ্টা চলছে। তারা এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জোর দাবি জানান।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরাও অভিযোগ করে বলেন, একটি মহল আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করছে। পোস্টার ও ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তারা তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তানজিল পারভেজ বলেন, অভিযোগগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।
সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আসন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। স্মারকলিপি প্রদান শেষে নেতারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও স্বাধীনভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।










