০৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভাবের সংসারে তিন কন্যার জন্ম আর্থিক সহায়তা প্রদানে উপজেলা প্রশাসন।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।
  • প্রকাশ : ০১:০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 7

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের পাগলা গ্রামের হতদরিদ্র কামাল হোসেনের ছেলে সুমন মিয়া পেশায় একজন দিনমজুর। সম্প্রতি তার স্ত্রী একসঙ্গে তিনটি কন্যাসন্তান প্রসব করেন। নিজের নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর সংসারে একসঙ্গে তিন নতুন অতিথির আগমনে আনন্দের চেয়ে দুশ্চিন্তাই ভর করেছিল সুমনের মনে। সন্তানদের লালন-পালন ও চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে অক্ষম সুমন মিয়া দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। তার আর্তনাদ ছিল— আমি নিজেই ঠিকমতো খেতে পারি না, এই তিন সন্তানকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখব?

​সুমন মিয়ার এই অসহায়ত্বের খবর ফুলপুর উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম সীমা। তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই পরিবারের হাতে নগদ ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা আর্থিক অনুদান তুলে দেন।

​অনুদান প্রদানকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, অসহায় পরিবারটির আর্থিক সংকটের কথা শুনে প্রশাসন তাৎক্ষণিক এই উদ্যোগ নিয়েছে। শিশুদের পুষ্টি ও লালন-পালনে এই অর্থ কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। আগামীতেও এই পরিবারের প্রতি প্রশাসনের নজরদারি বজায় থাকবে।

​আকস্মিক এই সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সুমন মিয়া। তিনি বলেন, সন্তানদের নিয়ে যখন অন্ধকার দেখছিলাম, তখন উপজেলা প্রশাসন দেবদূতের মতো পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। এই সহায়তায় আমার দুশ্চিন্তা কিছুটা কমেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

অভাবের সংসারে তিন কন্যার জন্ম আর্থিক সহায়তা প্রদানে উপজেলা প্রশাসন।

প্রকাশ : ০১:০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের পাগলা গ্রামের হতদরিদ্র কামাল হোসেনের ছেলে সুমন মিয়া পেশায় একজন দিনমজুর। সম্প্রতি তার স্ত্রী একসঙ্গে তিনটি কন্যাসন্তান প্রসব করেন। নিজের নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর সংসারে একসঙ্গে তিন নতুন অতিথির আগমনে আনন্দের চেয়ে দুশ্চিন্তাই ভর করেছিল সুমনের মনে। সন্তানদের লালন-পালন ও চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে অক্ষম সুমন মিয়া দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। তার আর্তনাদ ছিল— আমি নিজেই ঠিকমতো খেতে পারি না, এই তিন সন্তানকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখব?

​সুমন মিয়ার এই অসহায়ত্বের খবর ফুলপুর উপজেলা প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম সীমা। তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই পরিবারের হাতে নগদ ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা আর্থিক অনুদান তুলে দেন।

​অনুদান প্রদানকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, অসহায় পরিবারটির আর্থিক সংকটের কথা শুনে প্রশাসন তাৎক্ষণিক এই উদ্যোগ নিয়েছে। শিশুদের পুষ্টি ও লালন-পালনে এই অর্থ কিছুটা হলেও সহায়ক হবে। আগামীতেও এই পরিবারের প্রতি প্রশাসনের নজরদারি বজায় থাকবে।

​আকস্মিক এই সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সুমন মিয়া। তিনি বলেন, সন্তানদের নিয়ে যখন অন্ধকার দেখছিলাম, তখন উপজেলা প্রশাসন দেবদূতের মতো পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। এই সহায়তায় আমার দুশ্চিন্তা কিছুটা কমেছে।