০৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলার এক আসামী গ্রেফতার।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।
  • প্রকাশ : ০১:১১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 6

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানাধীন চাঞ্চল্যকর দীপু হত্যা মামলায় জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) পরপরই সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্তকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২২-০২-২০২৬খ্রিষ্টাব্দ তারিখ রাত অনুমান ৯ ঘটিকার সময় ভালুকা থানাধীন ডুবালিয়া পাড়ায় অবস্থিত পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরীর উত্তর প্রজেক্টর গেইট সংলগ্ন সাইফুলের চায়ের দোকান হইতে মোঃ বাবুল মিয়া(২৪) এক গুরুত্বপূর্ণ আসামী কে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় গ্রেফতারকৃত আসামী ঘটনা স্থলে উপস্থিত থেকে ফ্যাক্টরী গেটে লোক জড়ো করার মূল হোতা হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। সে সর্বপ্রথম ফ্যাক্টরী গেটে লোক জড়ো করে স্লোগানের মাধ্যমে জনসাধারণকে উত্তোজিত ও একত্রিত করে। পরবর্তীতে দীপু চন্দ্র দাসকে গেটের সামনে মারধর করে হত্যা এবং মরদেহ স্কয়ার মাস্টার বাড়ির মেইন রোডে নিয়ে যাওয়া সহ উত্তোজিত জনতার মাধ্যমে মরদেহের উপর অমানবিক নির্যাতনের সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে।

উল্লেখ্য এই পর্যন্ত উক্ত মামলার ২৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১১ জন আসামী বিঞ্জ আদালতে দোষ শিকারোক্তি মূলক জবান বন্দি প্রদান করেছেন। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলার এক আসামী গ্রেফতার।

প্রকাশ : ০১:১১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানাধীন চাঞ্চল্যকর দীপু হত্যা মামলায় জেলা গোয়েন্দা শাখার(ডিবি) পরপরই সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্তকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২২-০২-২০২৬খ্রিষ্টাব্দ তারিখ রাত অনুমান ৯ ঘটিকার সময় ভালুকা থানাধীন ডুবালিয়া পাড়ায় অবস্থিত পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরীর উত্তর প্রজেক্টর গেইট সংলগ্ন সাইফুলের চায়ের দোকান হইতে মোঃ বাবুল মিয়া(২৪) এক গুরুত্বপূর্ণ আসামী কে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় গ্রেফতারকৃত আসামী ঘটনা স্থলে উপস্থিত থেকে ফ্যাক্টরী গেটে লোক জড়ো করার মূল হোতা হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। সে সর্বপ্রথম ফ্যাক্টরী গেটে লোক জড়ো করে স্লোগানের মাধ্যমে জনসাধারণকে উত্তোজিত ও একত্রিত করে। পরবর্তীতে দীপু চন্দ্র দাসকে গেটের সামনে মারধর করে হত্যা এবং মরদেহ স্কয়ার মাস্টার বাড়ির মেইন রোডে নিয়ে যাওয়া সহ উত্তোজিত জনতার মাধ্যমে মরদেহের উপর অমানবিক নির্যাতনের সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করে।

উল্লেখ্য এই পর্যন্ত উক্ত মামলার ২৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১১ জন আসামী বিঞ্জ আদালতে দোষ শিকারোক্তি মূলক জবান বন্দি প্রদান করেছেন। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।