পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, ধান কেটে আত্মসাতের অভিযোগ।
- প্রকাশ : ০১:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
- / 7
জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।
জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।
(সংগৃহীত)
খুলনার দাকোপ উপজেলায় পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা এবং জমির পাকা ধান কেটে আত্মসাতের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ইতোমধ্যে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুর থানার খান এ সবুর রোড, রেলিগেট এলাকার বাসিন্দা শেখ সাবিবর ইসলাম (সুমু) তার পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমির বৈধ মালিক।
তিনি প্রায় দুই দশক ধরে উক্ত জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি দাকোপ উপজেলার চুনকুড়ি এলাকার বাসিন্দা রঞ্জিত কুমার মণ্ডল (পিতা : সুরেন্দ্র নাথ মণ্ডল) তার সহযোগীদের নিয়ে ওই জমিতে জোর পূর্বক প্রবেশ করে দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, সর্বশেষ ধান কর্তন মৌসুমে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা সংগঠিতভাবে জমিতে প্রবেশ করে পাকা ধান কেটে নিয়ে যায়।
ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে জমির মালিক শেখ সাবিবর ইসলাম গুরুতর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। তিনি দাবি করেন, প্রায় ১১ বিঘা জমির উপর দীর্ঘ ২০ বছরের ভোগদখল থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ড তার সম্পত্তির নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। প্রাথমিক হিসাবে তার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পানখালী ও চুনকুড়ি মৌজায় অবস্থিত মোট প্রায় ২.৮৮ একর জমিকে কেন্দ্র করে এ বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খতিয়ান ও দাগ নম্বর অনুযায়ী জমির মালিকানা তার পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে তিনি তা ব্যবহার করে আসছেন। ভুক্তভোগী জানান, তিনি ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সংগ্রহ করেছেন এবং খুব শিগ্গিরই দাকোপ থানায় জিডি দায়েরসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে ভবিষ্যতে আরও বড়ো ধরনের ক্ষতি বা সংঘাত এড়ানো যায়।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জমিসংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি না হলে যে-কোনো সময় বড়ো ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। তারা প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।




















