০৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালুখালীতে পাটক্ষেত থেকে যুবকের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার

আক্কাস আলী খান রাজবাড়ী প্রতিনিধি।
  • প্রকাশ : ০২:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / 3

আক্কাস আলী খান রাজবাড়ী প্রতিনিধি।

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামে একটি পাটক্ষেত থেকে আসাদুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের হাত-পা বাঁধা ও আংশিক দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যার পর মরদেহে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সূর্যদিয়া মাদ্রাসার পাশের একটি পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে কালুখালী থানা পুলিশ।
নিহত আসাদুল ইসলাম উপজেলার বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর একজন সক্রিয় কর্মী এবং মীর মশাররফ হোসেন সরকারি ডিগ্রি কলেজ-এর শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে আসাদুল ইসলামের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে রাত ১০টার দিকে কালুখালী থানায় বিষয়টি অবহিত করেন। পরদিন সকালে স্থানীয়রা পাটক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন, “সকালে পাটক্ষেত থেকে আসাদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।”
রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “আসাদুল ইসলাম আমাদের সংগঠনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। রোববার বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় বিষয়টি জানানো হয়। সোমবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবর পেয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।”এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

কালুখালীতে পাটক্ষেত থেকে যুবকের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ : ০২:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

আক্কাস আলী খান রাজবাড়ী প্রতিনিধি।

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামে একটি পাটক্ষেত থেকে আসাদুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবকের হাত-পা বাঁধা ও আংশিক দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যার পর মরদেহে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সূর্যদিয়া মাদ্রাসার পাশের একটি পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে কালুখালী থানা পুলিশ।
নিহত আসাদুল ইসলাম উপজেলার বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর একজন সক্রিয় কর্মী এবং মীর মশাররফ হোসেন সরকারি ডিগ্রি কলেজ-এর শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে আসাদুল ইসলামের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে রাত ১০টার দিকে কালুখালী থানায় বিষয়টি অবহিত করেন। পরদিন সকালে স্থানীয়রা পাটক্ষেতে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন, “সকালে পাটক্ষেত থেকে আসাদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।”
রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “আসাদুল ইসলাম আমাদের সংগঠনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। রোববার বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় বিষয়টি জানানো হয়। সোমবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবর পেয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।”এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।