০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি খাল দখল করে মৎস্য চাষ

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।
  • প্রকাশ : ১০:৩৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 2

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।

দিন যতোই পেরিয়ে যাচ্ছে মানুষ জাতির
বর্বরতা আর নিষ্ঠুরতা থেমে নেই বর্তমান কুরপালা পুর্ণবতি মৌজায় যা দক্ষিন ফাতার ও মধ্যের খাল নামে পরিচিত এই খালটি সৈলদা নদী অর্থাৎ ঘাঘর নদী নামে পরিচিতি যার সাথে সংযোগ রয়েছে,নদী থেকে এই খালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ওঠে যা এলাকাবাসী প্রতিনিয়ত মাছ ধরে জিবীকা নির্বাহ করে পারে, অল্প কিছুদিন হলো এই খালে কিছু কুচক্রী মহল বানা দিয়ে ঘেরে মাছ চাষের উদ্যেশ্যে মাছ ছেড়েছে, খালের আশেপাশে অনেক জমি রয়েছে যা এই কুচক্রী মহলটি ঘের করার উদ্যেশ্যে জমিদাতাদের কাছ থেকে লীজ নিয়েছে,তো এখানে খাল আটকাবে কেনো??

এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের প্রশ্ন? খাল’তো   তাদেরকে লীজ দেয়া হয়নি খাল আটকিয়ে তারা ওখানে মাছ ছাড়বে কেনো? এব্যাপারে এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ করার পরও
কেনো উপজেলা প্রশাসনের টনক নড়ছেনা?? এমনকি কূচক্রীমহলকে উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে মৌখিক নোটিশ করার পরও খাল’কে কেন অবমুক্ত করা হচ্ছেনা?? তাহলে উপজেলা প্রশাসনই বা  নীড়ব কেনো??
এ প্রসঙ্গে আমারও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন?? তবে কি জেনে শুনেই কুচক্রী মহলকে   এই সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে??

Please Share This Post in Your Social Media

সরকারি খাল দখল করে মৎস্য চাষ

প্রকাশ : ১০:৩৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

জেলা প্রতিনিধি-গোপালগঞ্জ।

দিন যতোই পেরিয়ে যাচ্ছে মানুষ জাতির
বর্বরতা আর নিষ্ঠুরতা থেমে নেই বর্তমান কুরপালা পুর্ণবতি মৌজায় যা দক্ষিন ফাতার ও মধ্যের খাল নামে পরিচিত এই খালটি সৈলদা নদী অর্থাৎ ঘাঘর নদী নামে পরিচিতি যার সাথে সংযোগ রয়েছে,নদী থেকে এই খালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ওঠে যা এলাকাবাসী প্রতিনিয়ত মাছ ধরে জিবীকা নির্বাহ করে পারে, অল্প কিছুদিন হলো এই খালে কিছু কুচক্রী মহল বানা দিয়ে ঘেরে মাছ চাষের উদ্যেশ্যে মাছ ছেড়েছে, খালের আশেপাশে অনেক জমি রয়েছে যা এই কুচক্রী মহলটি ঘের করার উদ্যেশ্যে জমিদাতাদের কাছ থেকে লীজ নিয়েছে,তো এখানে খাল আটকাবে কেনো??

এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের প্রশ্ন? খাল’তো   তাদেরকে লীজ দেয়া হয়নি খাল আটকিয়ে তারা ওখানে মাছ ছাড়বে কেনো? এব্যাপারে এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ করার পরও
কেনো উপজেলা প্রশাসনের টনক নড়ছেনা?? এমনকি কূচক্রীমহলকে উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে মৌখিক নোটিশ করার পরও খাল’কে কেন অবমুক্ত করা হচ্ছেনা?? তাহলে উপজেলা প্রশাসনই বা  নীড়ব কেনো??
এ প্রসঙ্গে আমারও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন?? তবে কি জেনে শুনেই কুচক্রী মহলকে   এই সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে??