০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুলপুরে বজ্রপাতে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।
  • প্রকাশ : ০৬:১১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 3

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে বজ্রপাতে শামীমা আক্তার (৮) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৪টার দিকে বালিয়া ইউনিয়নের বেলটিয়া বালিয়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

নিহত শামীমা আক্তার স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং বালিয়া বাজারের ক্ষুদ্র চা-ব্যবসায়ী আবুল হোসেনের একমাত্র কন্যা। তিন ছেলে সন্তানের মধ্যে একমাত্র মেয়ে হওয়ায় সে ছিল পরিবারের সবার আদরের, বিশেষ করে বাবার নয়নের মণি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। সেই বজ্রপাতের নির্মম আঘাতে গুরুতর আহত হয় ছোট্ট শামীমা। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।অকালেই থেমে যায় তার জীবনযাত্রা।

শামীমার বাবা বালিয়া বাজারের ছোট্ট চায়ের দোকানে কঠোর পরিশ্রম করে তিনি মেয়েকে মানুষ করার স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ছোট্ট শামীমা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ বিকালে এক ঝলক বজ্রপাত সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিল বাবা আবুল হাসেমের শামীমার অকাল মৃত্যুতে এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ফুলপুরে বজ্রপাতে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ : ০৬:১১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে বজ্রপাতে শামীমা আক্তার (৮) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৪টার দিকে বালিয়া ইউনিয়নের বেলটিয়া বালিয়া গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

নিহত শামীমা আক্তার স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং বালিয়া বাজারের ক্ষুদ্র চা-ব্যবসায়ী আবুল হোসেনের একমাত্র কন্যা। তিন ছেলে সন্তানের মধ্যে একমাত্র মেয়ে হওয়ায় সে ছিল পরিবারের সবার আদরের, বিশেষ করে বাবার নয়নের মণি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। সেই বজ্রপাতের নির্মম আঘাতে গুরুতর আহত হয় ছোট্ট শামীমা। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।অকালেই থেমে যায় তার জীবনযাত্রা।

শামীমার বাবা বালিয়া বাজারের ছোট্ট চায়ের দোকানে কঠোর পরিশ্রম করে তিনি মেয়েকে মানুষ করার স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ছোট্ট শামীমা। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ বিকালে এক ঝলক বজ্রপাত সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিল বাবা আবুল হাসেমের শামীমার অকাল মৃত্যুতে এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।