১২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাজিরায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলা ঘিরে চাঞ্চল্য, মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ

শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান।
  • প্রকাশ : ০৫:২৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 4

শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান।

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কাজির হাট এলাকায় একটি ধর্ষণ চেষ্টা ও মারধরের ঘটনার মামলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জাজিরা থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামাল টেপা ও তার স্ত্রী আসমা বেগম তাদের মেয়েকে দিয়ে কোর্টের আদেশে জাজিরা থানায় গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখে একটি ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

তবে মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযোগকারী পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে বা এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের হঠাৎ আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় মামলার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।নঅভিযোগ রয়েছে, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুইজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠিয়ে থাকতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এদিকে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ধর্ষণ চেষ্টা বা মেরে পা ভেঙে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়।

এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে যেমন প্রকৃত ভুক্তভোগীকে ন্যায়বিচার দেওয়া জরুরি, তেমনি মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযোগকারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং তাঁদের বাড়িও তালা মারা পাওয়া যাচ্ছে।

তবে মামলার বাদী সুরাইয়ার বাবা কামাল টেপার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, সে প্রথমে জানায় তাঁদের সাথে পূর্ব থেকে ঝামেলা আছে এটা কোর্টের বিষয় কোর্ট কে বুঝতে দিন।

তারপর সাংবাদিক ঝগড়াঝাটি ও সামান্য চর থাপ্পরের ঘটনা উল্লেখ করে জাজিরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তারপর জাজিরা থানা এসে আমিনুল ইসলাম তদন্ত করে আপসংশা করে দেওয়ার জন্য ডাকেন কিন্তু আপনারা না এসে কোর্টে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা ও মেরে পা ভেঙ্গে দেওয়ার মামলা দায়ের করলেন কেন?

তারপরেই কামাল টেপা সাংবাদিক কে সেনাবাহিনী ওসি উকিলে প্রশাসনের ভয় দেখানো শুরু করে। এবং কোর্টের বিষয় কোর্টে বুঝবো যত টাকা লাগে বলিয়া হুংকার দেয়। এই বিষয়ে জাজিরা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং সঠিক তথ্য আদালতে চার্জ সিট আকারে প্রদান করা হবে।_________________

Please Share This Post in Your Social Media

জাজিরায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলা ঘিরে চাঞ্চল্য, মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ

প্রকাশ : ০৫:২৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান।

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কাজির হাট এলাকায় একটি ধর্ষণ চেষ্টা ও মারধরের ঘটনার মামলাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জাজিরা থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামাল টেপা ও তার স্ত্রী আসমা বেগম তাদের মেয়েকে দিয়ে কোর্টের আদেশে জাজিরা থানায় গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখে একটি ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করেন।

তবে মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযোগকারী পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে বা এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের হঠাৎ আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় মামলার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।নঅভিযোগ রয়েছে, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুইজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠিয়ে থাকতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এদিকে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ আনা হয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ধর্ষণ চেষ্টা বা মেরে পা ভেঙে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়।

এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে যেমন প্রকৃত ভুক্তভোগীকে ন্যায়বিচার দেওয়া জরুরি, তেমনি মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযোগকারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং তাঁদের বাড়িও তালা মারা পাওয়া যাচ্ছে।

তবে মামলার বাদী সুরাইয়ার বাবা কামাল টেপার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, সে প্রথমে জানায় তাঁদের সাথে পূর্ব থেকে ঝামেলা আছে এটা কোর্টের বিষয় কোর্ট কে বুঝতে দিন।

তারপর সাংবাদিক ঝগড়াঝাটি ও সামান্য চর থাপ্পরের ঘটনা উল্লেখ করে জাজিরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তারপর জাজিরা থানা এসে আমিনুল ইসলাম তদন্ত করে আপসংশা করে দেওয়ার জন্য ডাকেন কিন্তু আপনারা না এসে কোর্টে গিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা ও মেরে পা ভেঙ্গে দেওয়ার মামলা দায়ের করলেন কেন?

তারপরেই কামাল টেপা সাংবাদিক কে সেনাবাহিনী ওসি উকিলে প্রশাসনের ভয় দেখানো শুরু করে। এবং কোর্টের বিষয় কোর্টে বুঝবো যত টাকা লাগে বলিয়া হুংকার দেয়। এই বিষয়ে জাজিরা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং সঠিক তথ্য আদালতে চার্জ সিট আকারে প্রদান করা হবে।_________________