১২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি, লালমনিরহাটে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৯:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২০
  • / 51

অনলাইন ডেস্ক

তিস্তা নদীর পানি আবারো বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপরে ছিল তিস্তার পানি।

এ ছাড়া, লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমা ছুঁয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ধরলা নদীর পানি।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুর কাদের দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘অবিরাম বর্ষণ আর উজানে ভারত থেকে পাহাড়ি ঢলের পানিতে জেলার প্রধান দুই নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তিস্তায় পানি বাড়লেও খুব বেশি সময় স্থায়ী থাকে না, বিপৎসীমার নিচে চলে যাবে। বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢল আসা বন্ধ হলে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টার মধ্যে তিস্তার পানি ভাটির দিকে নেমে যাবে।’

তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় চরাঞ্চলগুলো তলিয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী এলাকার বাড়ি-ঘরে জমে গেছে হাঁটু পানি। তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলাসহ বিভিন্ন সবজি খেত। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যেতে দেখা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি, লালমনিরহাটে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

প্রকাশ : ০৯:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

তিস্তা নদীর পানি আবারো বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপরে ছিল তিস্তার পানি।

এ ছাড়া, লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমা ছুঁয়ে প্রবাহিত হচ্ছে ধরলা নদীর পানি।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুর কাদের দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘অবিরাম বর্ষণ আর উজানে ভারত থেকে পাহাড়ি ঢলের পানিতে জেলার প্রধান দুই নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তিস্তায় পানি বাড়লেও খুব বেশি সময় স্থায়ী থাকে না, বিপৎসীমার নিচে চলে যাবে। বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢল আসা বন্ধ হলে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টার মধ্যে তিস্তার পানি ভাটির দিকে নেমে যাবে।’

তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় চরাঞ্চলগুলো তলিয়ে গেছে। নদী তীরবর্তী এলাকার বাড়ি-ঘরে জমে গেছে হাঁটু পানি। তলিয়ে গেছে আমন ধানের বীজতলাসহ বিভিন্ন সবজি খেত। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে চলে যেতে দেখা গেছে।