০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন সাবেক এমপি কাজী কামাল:

তৌহিদ মাগুরা।
  • প্রকাশ : ০৮:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 27

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

তৌহিদ মাগুরা :

মাগুরা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মাগুরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং রাজপথের লড়াকু নেতা কাজী সালিমুল হক কামাল রাজনীতিকে চিরতরে বিদায় জানিয়ে অবসরের ঘোষণা নিয়েছেন। আজ মধ্যরাতে ফেসবুক পোস্টে এক আবেগঘন বার্তায় তিনি সক্রিয় রাজনীতি ও আগামী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান।

​কেন এই আকস্মিক বিদায়?
​কাজী কামালের এই ঘোষণার নেপথ্যে রয়েছে দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি চরম ক্ষোভ এবং তৃণমূলের অবমূল্যায়ন। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তৃণমূলের অবজ্ঞা: মাগুরা-২ আসনের ৫১৩ জন দায়িত্বশীল নেতার মধ্যে ৫০১ জন একটি বিশেষ মনোনয়নের বিপক্ষে লিখিত প্রতিবাদ জানালেও দল তা আমলে নেয়নি। ​বিতর্কিতদের পুনর্বাসন: গত ১৬ বছর যারা জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, তাদের সরিয়ে ‘বিতর্কিত’ ও আদর্শচ্যুত’ ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

​স্বতন্ত্র প্রার্থী থেকে সরে আসা: তিনি তৃণমূলের চাপে প্রথমে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেও, দলের অনড় অবস্থানের কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।​পারিবারিক কারণ: দীর্ঘ ৭ বছর কারাবাসের পর অসুস্থ শরীর এবং পরিবারের অনুরোধকে সম্মান জানিয়ে তিনি এই অবসর জীবন বেছে নিয়েছেন।
“তিনি আবেগঘন বক্তব্যে বলেন,” তৃণমূলই দলের প্রাণ। যখন হাজার হাজার ত্যাগী কর্মীকে উপেক্ষা করা হয়, তখন দল শক্তিশালী না হয়ে ভেতর থেকে ক্ষয়ে যায়।”

​মাগুরার রাজনীতিতে প্রভাব
​তার এই অবসরের ঘোষণা মাগুরা-২ নির্বাচনী এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে শোক ও হতাশা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের এই ‘আর্তনাদ’ দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন মাগুরার স্হানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তিনি ​বিদায়বেলায় তরুণ নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “মনে রাখবেন, কর্মীদের চোখের পানি কখনো দলের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারেনা।”

Please Share This Post in Your Social Media

বিএনপির রাজনীতিতে নাটকীয় মোড় রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন সাবেক এমপি কাজী কামাল:

প্রকাশ : ০৮:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

তৌহিদ মাগুরা :

মাগুরা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মাগুরা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং রাজপথের লড়াকু নেতা কাজী সালিমুল হক কামাল রাজনীতিকে চিরতরে বিদায় জানিয়ে অবসরের ঘোষণা নিয়েছেন। আজ মধ্যরাতে ফেসবুক পোস্টে এক আবেগঘন বার্তায় তিনি সক্রিয় রাজনীতি ও আগামী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান।

​কেন এই আকস্মিক বিদায়?
​কাজী কামালের এই ঘোষণার নেপথ্যে রয়েছে দলীয় হাইকমান্ডের প্রতি চরম ক্ষোভ এবং তৃণমূলের অবমূল্যায়ন। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তৃণমূলের অবজ্ঞা: মাগুরা-২ আসনের ৫১৩ জন দায়িত্বশীল নেতার মধ্যে ৫০১ জন একটি বিশেষ মনোনয়নের বিপক্ষে লিখিত প্রতিবাদ জানালেও দল তা আমলে নেয়নি। ​বিতর্কিতদের পুনর্বাসন: গত ১৬ বছর যারা জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, তাদের সরিয়ে ‘বিতর্কিত’ ও আদর্শচ্যুত’ ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

​স্বতন্ত্র প্রার্থী থেকে সরে আসা: তিনি তৃণমূলের চাপে প্রথমে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেও, দলের অনড় অবস্থানের কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।​পারিবারিক কারণ: দীর্ঘ ৭ বছর কারাবাসের পর অসুস্থ শরীর এবং পরিবারের অনুরোধকে সম্মান জানিয়ে তিনি এই অবসর জীবন বেছে নিয়েছেন।
“তিনি আবেগঘন বক্তব্যে বলেন,” তৃণমূলই দলের প্রাণ। যখন হাজার হাজার ত্যাগী কর্মীকে উপেক্ষা করা হয়, তখন দল শক্তিশালী না হয়ে ভেতর থেকে ক্ষয়ে যায়।”

​মাগুরার রাজনীতিতে প্রভাব
​তার এই অবসরের ঘোষণা মাগুরা-২ নির্বাচনী এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে শোক ও হতাশা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের এই ‘আর্তনাদ’ দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন মাগুরার স্হানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তিনি ​বিদায়বেলায় তরুণ নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “মনে রাখবেন, কর্মীদের চোখের পানি কখনো দলের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারেনা।”