১২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় প্রি-চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।
  • প্রকাশ : ১১:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 21

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) উপজেলার ০৫নং বালিখাঁ ইউনিয়নের বগিরপাড়া গ্রামে নুরুল ইসলাম অটিজম ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুলের উদ্যোগে এ শিবিরের আয়োজন করা হয়।প্রধান অতিথি হিসেবে চক্ষু শিবিরের উদ্ভোদন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নাজমা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে নাজমা বেগম বলেন, চোখ মানুষের অমূল্য সম্পদ। গ্রাম পর্যায়ে এ ধরনের প্রি-চক্ষু শিবির আয়োজন করা হলে সাধারণ মানুষ সহজেই প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পায়। এতে সময়মতো রোগ শনাক্ত হওয়ায় অন্ধত্বের ঝুঁকি কমে আসে। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সরকারের পাশাপাশি সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন প্রশংসনীয়। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় চক্ষু সেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের শিবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শিবিরে স্থানীয় শতাধিক মানুষ প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসা পরামর্শ গ্রহণ করেন। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের পরবর্তীতে বিশেষায়িত চক্ষু শিবিরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় প্রি-চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রকাশ : ১১:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) উপজেলার ০৫নং বালিখাঁ ইউনিয়নের বগিরপাড়া গ্রামে নুরুল ইসলাম অটিজম ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুলের উদ্যোগে এ শিবিরের আয়োজন করা হয়।প্রধান অতিথি হিসেবে চক্ষু শিবিরের উদ্ভোদন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নাজমা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে নাজমা বেগম বলেন, চোখ মানুষের অমূল্য সম্পদ। গ্রাম পর্যায়ে এ ধরনের প্রি-চক্ষু শিবির আয়োজন করা হলে সাধারণ মানুষ সহজেই প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পায়। এতে সময়মতো রোগ শনাক্ত হওয়ায় অন্ধত্বের ঝুঁকি কমে আসে। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সরকারের পাশাপাশি সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন প্রশংসনীয়। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় চক্ষু সেবা পৌঁছে দিতে এ ধরনের শিবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শিবিরে স্থানীয় শতাধিক মানুষ প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা ও চিকিৎসা পরামর্শ গ্রহণ করেন। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের পরবর্তীতে বিশেষায়িত চক্ষু শিবিরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।