০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারাকান্দায় কে বা কারা (অবঃ) হাবিলদারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।
  • প্রকাশ : ০১:৩৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 12

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহের তারাকান্দা হাবিলদার (অবঃ) আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিকের খুনিরা আজও ধরা পড়েনি। মামলার আর্জি সূত্রে জানা গেছে ২৩ জানুয়ারি উপজেলা কাকনী ইউনিয়নের পানিহরী গ্রামের (অবঃ) হাবিলদার আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক(৭০) বাড়ির পাশে মসজিদ থেকে জুমার নামাজ আদায় করে বাড়ি ফেরার পথে জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সহোদর ভাতিজা ইব্রাহিম মাসুদ(৪০) ও হারুনুর রশিদ(৪৫) তার সাঙ্গবাঙ্গ সহ পথরোধ করে এতো পাথারী কুপিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিক ও তার ভাগিনা হোসেন আলী(৫৫) কে কুপিয়ে জখম করে।

জখমীদের ডাক চিৎকারে চতুর্দিক থেকে লোক আসলে বিরোধ পক্ষ দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জখমীদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এই বিষয়ের হত্যা চেষ্টা অভিযোগে জখমী আবু বক্কর সিদ্দিকের পুত্র উমর ফারুক বাদী হয়ে ইব্রাহিম মাসুদ(৪০) হারুনুর রশিদ(৪৫) ৭ জনের উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে তারাকান্দা থানায় মামলা দায়ের করে। জখমী হাবিলদার (অবঃ) শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করেন।

ঢাকা পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় গত ২৬ জানুয়ারি আবু বক্কর সিদ্দিক (অবঃ) মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। উল্লেখ্য যে আদোও আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক হত্যার কোনো আসামী ধরা পড়েনি। এই নিয়ে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার দেখ দিয়েছে। বিষয়টি মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সহ সকল প্রশাসনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এলাকাবাসীর জোর দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

তারাকান্দায় কে বা কারা (অবঃ) হাবিলদারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে

প্রকাশ : ০১:৩৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার।

ময়মনসিংহের তারাকান্দা হাবিলদার (অবঃ) আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিকের খুনিরা আজও ধরা পড়েনি। মামলার আর্জি সূত্রে জানা গেছে ২৩ জানুয়ারি উপজেলা কাকনী ইউনিয়নের পানিহরী গ্রামের (অবঃ) হাবিলদার আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক(৭০) বাড়ির পাশে মসজিদ থেকে জুমার নামাজ আদায় করে বাড়ি ফেরার পথে জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সহোদর ভাতিজা ইব্রাহিম মাসুদ(৪০) ও হারুনুর রশিদ(৪৫) তার সাঙ্গবাঙ্গ সহ পথরোধ করে এতো পাথারী কুপিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিক ও তার ভাগিনা হোসেন আলী(৫৫) কে কুপিয়ে জখম করে।

জখমীদের ডাক চিৎকারে চতুর্দিক থেকে লোক আসলে বিরোধ পক্ষ দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জখমীদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এই বিষয়ের হত্যা চেষ্টা অভিযোগে জখমী আবু বক্কর সিদ্দিকের পুত্র উমর ফারুক বাদী হয়ে ইব্রাহিম মাসুদ(৪০) হারুনুর রশিদ(৪৫) ৭ জনের উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে তারাকান্দা থানায় মামলা দায়ের করে। জখমী হাবিলদার (অবঃ) শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করেন।

ঢাকা পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় গত ২৬ জানুয়ারি আবু বক্কর সিদ্দিক (অবঃ) মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। উল্লেখ্য যে আদোও আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক হত্যার কোনো আসামী ধরা পড়েনি। এই নিয়ে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার দেখ দিয়েছে। বিষয়টি মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সহ সকল প্রশাসনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এলাকাবাসীর জোর দাবি।