নিজস্ব প্রতিবেদক-
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশ সফলভাবেই কোভিড-১৯ মোকাবেলা করে যাচ্ছে। দেশে স্পেশালাইজড হাসপাতাল ঘোষণা করে সুচিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখন হাসপাতালগুলোতে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা অনেক কম। এসব হাসপাতালে ৬০-৭০ ভাগ সিট খালি থাকছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ওয়ালটনের সহযোগিতায় তাইওয়ান এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার কর্তৃক কোভিড-১৯ মোকাবিলায় মেডিকেল সামগ্রী হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও বক্তৃতা করেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের বিমান, নৌ এবং স্থলবন্দরগুলোতে সময় মতো স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তখন আমাদের পর্যাপ্ত মেডিকেল সামগ্রী ছিল না। যা ছিল তা দিয়েই আমরা পরিকল্পিতভাবে এ মহামারি মোকাবিলা শুরু করি। এখন স্পেশালাইজড হাসপাতালের সংখ্যা কমিয়ে সাধারণ চিকিৎসার জন্য খুলে দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
ভ্যাকসিনের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশে ভ্যাকসিন আনতে সরকারের কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সব শাখাই তৎপর রয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়ত খোঁজ নিচ্ছেন। বিশ্বে ভ্যাকসিন আবিষ্কার এখন আডভান্স লেভেলে রয়েছে। যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, আমেরিকা, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ করছে। এই ভ্যাকসিনগুলোর গুণগত মান যাচাই-বাছাই করেই প্রধানমন্ত্রী সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই গ্রহণ করবেন।