১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিটের মানোন্নয়নের দাবি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৫:২১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০
  • / 62

অনলাইন ডেস্ক
নিজেদের তৈরি কিটের মানোন্নয়নের দাবি করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে কিটের মানোন্নয়নের জন্য আবেদন করতে গিয়ে এমন দাবি করে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি দল। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, বৈজ্ঞানিক এই বিষয়ে যথাযথ তথ্য প্রমাণ সরবরাহ করতে পারেনি তারা।
গণস্বাস্থ্যের তৈরি কিট নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যেই গত ১৭ জুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দল জানায় করোনা শনাক্তে কার্যকর নয় এই কিট।
এর ১৫ দিন পর কিটের মানোন্নয়নের দাবি করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে আবেদন করেছে গণস্বাস্থ্য। ইউএস এফডিএ আমব্রেলার গাইডলাইন অনুযায়ী, কিটের এন্টিবডি সেনসিটিভিটি থাকা প্রয়োজন ন্যূনতম ৯০ ভাগ। এর বিপরীতে গণস্বাস্থ্যের দাবি, তাদের কিটের এন্টিবডির সেনসিটিভিটি বেড়েছে ৯৭.৭ ভাগ পর্যন্ত।
গণস্বাস্থ্যের কিট প্রকল্পের সমন্বয়ক ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার বলেন, ভ্যালুয়েশনের জন্য আমরা আমাদের সিআরও’র সঙ্গে কথা বলব। এটা করে উনাদের কাছে রিপোর্ট সাবমিট করতে বলেছে। আর এন্টিজেনের বেলায় উনারা আমাদের একটা ফরমেট দিয়েছেন, সেই ফরমেট অনুযায়ী আবার এন্টিজেনের ডকুমেন্ট সাবমিট করতে বলেছেন। 
এদিকে, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, প্রতিষ্ঠানটি কিটের মানোন্নয়নের আবেদন করলেও তাদের কিটের অ্যান্টিবডির সেনসিটিভিটি বাড়ানোর পক্ষে কোনো তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করতে পারেনি।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, তারা বলছে যে, তারা মানোন্নয়ন করতে চায়, তারা কিছু ইন্টার্নাল চেষ্টা করতে চাচ্ছে। আমরা বলেছি, এগুলো ডকুমেন্টস আকারে জমা দিবেন। এগুলো তো ডকুমেন্টস আকারে না দিলে হবে না। ইন্টার্নাল ভ্যালুয়েশনের পর তৃতীয় পক্ষ এটার ভ্যালুয়েশন না করলে এটার গ্রহণযোগ্যতা নাই। 
গত ১৭ মার্চ, মাত্র ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্তের কিট আবিষ্কারের ঘোষণা দেয় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। 

Please Share This Post in Your Social Media

কিটের মানোন্নয়নের দাবি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের

প্রকাশ : ০৫:২১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
নিজেদের তৈরি কিটের মানোন্নয়নের দাবি করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে কিটের মানোন্নয়নের জন্য আবেদন করতে গিয়ে এমন দাবি করে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি দল। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, বৈজ্ঞানিক এই বিষয়ে যথাযথ তথ্য প্রমাণ সরবরাহ করতে পারেনি তারা।
গণস্বাস্থ্যের তৈরি কিট নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যেই গত ১৭ জুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা দল জানায় করোনা শনাক্তে কার্যকর নয় এই কিট।
এর ১৫ দিন পর কিটের মানোন্নয়নের দাবি করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে আবেদন করেছে গণস্বাস্থ্য। ইউএস এফডিএ আমব্রেলার গাইডলাইন অনুযায়ী, কিটের এন্টিবডি সেনসিটিভিটি থাকা প্রয়োজন ন্যূনতম ৯০ ভাগ। এর বিপরীতে গণস্বাস্থ্যের দাবি, তাদের কিটের এন্টিবডির সেনসিটিভিটি বেড়েছে ৯৭.৭ ভাগ পর্যন্ত।
গণস্বাস্থ্যের কিট প্রকল্পের সমন্বয়ক ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার বলেন, ভ্যালুয়েশনের জন্য আমরা আমাদের সিআরও’র সঙ্গে কথা বলব। এটা করে উনাদের কাছে রিপোর্ট সাবমিট করতে বলেছে। আর এন্টিজেনের বেলায় উনারা আমাদের একটা ফরমেট দিয়েছেন, সেই ফরমেট অনুযায়ী আবার এন্টিজেনের ডকুমেন্ট সাবমিট করতে বলেছেন। 
এদিকে, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, প্রতিষ্ঠানটি কিটের মানোন্নয়নের আবেদন করলেও তাদের কিটের অ্যান্টিবডির সেনসিটিভিটি বাড়ানোর পক্ষে কোনো তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করতে পারেনি।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, তারা বলছে যে, তারা মানোন্নয়ন করতে চায়, তারা কিছু ইন্টার্নাল চেষ্টা করতে চাচ্ছে। আমরা বলেছি, এগুলো ডকুমেন্টস আকারে জমা দিবেন। এগুলো তো ডকুমেন্টস আকারে না দিলে হবে না। ইন্টার্নাল ভ্যালুয়েশনের পর তৃতীয় পক্ষ এটার ভ্যালুয়েশন না করলে এটার গ্রহণযোগ্যতা নাই। 
গত ১৭ মার্চ, মাত্র ১৫ মিনিটে করোনা শনাক্তের কিট আবিষ্কারের ঘোষণা দেয় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।