০৫:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই সপ্তাহের লকডাউনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০২:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০
  • / 87

চবি প্রতিনিধি
করোনা সংক্রমণ বাড়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আক্রান্ত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে লকডাউন সফল করার আশ্বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের।
বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম। তারপরও ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল, উপাচার্য ভবন, মেডিকেলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ১৫ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী আক্রান্ত হয়েছেন। বাদ পড়েনি শিক্ষকরাও। তাই দুই সপ্তাহের লকডাউনে বিশ্ববিদ্যালয়।
তবে প্রশাসনের তদারকি না থাকায় লকডাউন চলাকালীন ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষজনকে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান বলেন, ‘পুরো ক্যাম্পাস আমরা লকডাউনের আওতায় রাখবো। বাইরের মানুষ ভেতরে প্রবেশ করবে না, ভিতরের মানুষ বাইরে চলাফেরা করবে না।’
লকডাউনে যাতে প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের না হয়, সেই জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এহসানুল কবির পলাশ বলেন, ‘সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। ভলেন্টিয়ার টিম রয়েছে তারা সার্বক্ষণিক এই বিষয়ে কাজ করছে।’
লকডাউনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক কার্যক্রম চট্টগ্রাম শহরস্থ চারুকলা ইনস্টিটিউট অফিস হতে পরিচালিত হবে। এছাড়া ফার্মেসি ও মুদি দোকান লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে বলেও জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

দুই সপ্তাহের লকডাউনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশ : ০২:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২০

চবি প্রতিনিধি
করোনা সংক্রমণ বাড়ায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আক্রান্ত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার। সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে লকডাউন সফল করার আশ্বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের।
বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম। তারপরও ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল, উপাচার্য ভবন, মেডিকেলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ১৫ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী আক্রান্ত হয়েছেন। বাদ পড়েনি শিক্ষকরাও। তাই দুই সপ্তাহের লকডাউনে বিশ্ববিদ্যালয়।
তবে প্রশাসনের তদারকি না থাকায় লকডাউন চলাকালীন ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষজনকে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান বলেন, ‘পুরো ক্যাম্পাস আমরা লকডাউনের আওতায় রাখবো। বাইরের মানুষ ভেতরে প্রবেশ করবে না, ভিতরের মানুষ বাইরে চলাফেরা করবে না।’
লকডাউনে যাতে প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের না হয়, সেই জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এহসানুল কবির পলাশ বলেন, ‘সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। ভলেন্টিয়ার টিম রয়েছে তারা সার্বক্ষণিক এই বিষয়ে কাজ করছে।’
লকডাউনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক কার্যক্রম চট্টগ্রাম শহরস্থ চারুকলা ইনস্টিটিউট অফিস হতে পরিচালিত হবে। এছাড়া ফার্মেসি ও মুদি দোকান লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে বলেও জানানো হয়।