০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা ছাড়ছেন কর্মহীন হাজারো পরিবার

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৭:৩৪:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০
  • / 61

অনলাইন ডেস্ক
করোনাকালে কর্মহীন অনেক পরিবারই রাজধানী ছাড়ছে। বছরের পর বছর যে শহরে ভাত জুটেছে নিজের আর পরিবারের; সেই তিলোত্তমার মায়া কাটাতে হয়েছে, টিকে থাকতে না পেরে। বাধ্য হয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন পেশাজীবী আর শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তারপর চাকরী। একদশকের ঢাকাবাস শফিউল ইসলাম রবিনের। করোনা সংক্রমণ শুরুর পর আর্থিক মন্দায় পড়ে তার প্রতিষ্ঠান। মাসের পর মাস বাড়িভাড়া বাকি; শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে না পেরে গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে ফিরেছেন রবিন।
শফিউল ইসলাম রবিন বলেন, চাকরি ছিলো এখন নাই, করোনার এই সময়ে চাকরি পাবো না।
প্রযুক্তি কর্মী সাব্বির আহমেদও ঢাকা ছেড়েছেন সম্প্রতি। কবে ফিরবেন জাদুর শহরে না জানলেও বাড়িভাড়া দিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।
সাব্বির বলেন, ঢাকায় যেকোন সময় গেলেই বাসা ভাড়া পাবো না। আর কখন ঢাকা যেতে হবে জানি না। তাই বাসা ভাড়া দিয়ে যাচ্ছি।
এতো গেল মধ্যবিত্তের কথা। একবেলা না খাটলে যাদের উপোষ দিতে হয় সেই হতদরিদ্রদেরও উপার্জন কেড়ে নিয়েছে করোনা। ময়মনসিংহ অঞ্চলে এরইমধ্যে বেড়েছে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা, যার বড় অংশই তৈরি পোশাক খাতের।
চিকিৎসকরা বলছেন, করোনার হটস্পট থেকে গ্রামাঞ্চলে অবাধ যাতায়াত সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
কবে কাজ জুটবে আর সামনের দিনগুলো কীভাবে কাটবে সেই ভাবনাই এখন সম্বলহীন পরিবারগুলোর।

Please Share This Post in Your Social Media

ঢাকা ছাড়ছেন কর্মহীন হাজারো পরিবার

প্রকাশ : ০৭:৩৪:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
করোনাকালে কর্মহীন অনেক পরিবারই রাজধানী ছাড়ছে। বছরের পর বছর যে শহরে ভাত জুটেছে নিজের আর পরিবারের; সেই তিলোত্তমার মায়া কাটাতে হয়েছে, টিকে থাকতে না পেরে। বাধ্য হয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন পেশাজীবী আর শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় জীবন তারপর চাকরী। একদশকের ঢাকাবাস শফিউল ইসলাম রবিনের। করোনা সংক্রমণ শুরুর পর আর্থিক মন্দায় পড়ে তার প্রতিষ্ঠান। মাসের পর মাস বাড়িভাড়া বাকি; শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে না পেরে গ্রামের বাড়ি রাজশাহীতে ফিরেছেন রবিন।
শফিউল ইসলাম রবিন বলেন, চাকরি ছিলো এখন নাই, করোনার এই সময়ে চাকরি পাবো না।
প্রযুক্তি কর্মী সাব্বির আহমেদও ঢাকা ছেড়েছেন সম্প্রতি। কবে ফিরবেন জাদুর শহরে না জানলেও বাড়িভাড়া দিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।
সাব্বির বলেন, ঢাকায় যেকোন সময় গেলেই বাসা ভাড়া পাবো না। আর কখন ঢাকা যেতে হবে জানি না। তাই বাসা ভাড়া দিয়ে যাচ্ছি।
এতো গেল মধ্যবিত্তের কথা। একবেলা না খাটলে যাদের উপোষ দিতে হয় সেই হতদরিদ্রদেরও উপার্জন কেড়ে নিয়েছে করোনা। ময়মনসিংহ অঞ্চলে এরইমধ্যে বেড়েছে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা, যার বড় অংশই তৈরি পোশাক খাতের।
চিকিৎসকরা বলছেন, করোনার হটস্পট থেকে গ্রামাঞ্চলে অবাধ যাতায়াত সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
কবে কাজ জুটবে আর সামনের দিনগুলো কীভাবে কাটবে সেই ভাবনাই এখন সম্বলহীন পরিবারগুলোর।