০১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকার আশপাশে করোনা সংক্রমণ বেশি

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৬:১২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০
  • / 67

অনলাইন ডেস্ক

দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্তের খবর জানানো হয় ৮ মার্চ। শুরুতে সংক্রমণ সীমিত ছিল বিদেশফেরত এবং তাঁদের সংস্পর্শে আসা মানুষদের মধ্যে। ধীরে ধীরে শনাক্তের দুইমাসে এসে দেশের সবকটি জেলায় ছড়িয়ে গেছে করোনাভাইরাস। তবে এখন পর্যন্ত ঢাকার আশপাশেই করোনা সংক্রমণ বেশি।
২৬ মার্চের আগ পর্যন্ত আক্রান্ত ৩৯ জনের মধ্যে ১৪ জন ছিলেন ৮টি দেশ থেকে আসা ব্যক্তি। আর ২৩ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন বিদেশফেরত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে গিয়ে। বাকি দুজন কীভাবে সংক্রমিত হয়েছিলেন, তা অজানা। ২৫ মার্চ বলা হয়, সীমিত পরিসরে লোকাল ট্রান্সমিশন (স্থানীয়ভাবে সংক্রমণ) হয়ে থাকতে পারে।
৫ এপ্রিল রাজধানীর টোলারবাগ ও বাসাবো, নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর (শিবচর) এবং গাইবান্ধা (সাদুল্যাপুর)—এই পাঁচটি জায়গাকে সংক্রমণের ক্লাস্টার (কাছাকাছি একই জায়গায় অনেক আক্রান্ত) হিসেবে চিহ্নিত করে আইইডিসিআর।
এই পাঁচটি জায়গার চারটিতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলেও নিয়ন্ত্রণের পুরোপুরি বাইরে চলে যায় নারায়ণগঞ্জ। ৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ লকডাউন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। সেখান থেকে অনেকে ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন জেলায়। ১০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জকে সংক্রমণ ছড়ানোর কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত করে আইইডিসিআর।
শুরু থেকে রাজধানীতে আক্রান্ত ছিলেন বেশি। এখনো মোট আক্রান্তের অর্ধেকের বেশি রাজধানীর বাসিন্দা। নারায়ণগঞ্জে আক্রান্ত হাজার ছাড়িয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ঢাকা, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ জেলার প্রতিটিতে আক্রান্ত ১০০ ছাড়িয়ে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ঢাকার আশপাশে করোনা সংক্রমণ বেশি

প্রকাশ : ০৬:১২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্তের খবর জানানো হয় ৮ মার্চ। শুরুতে সংক্রমণ সীমিত ছিল বিদেশফেরত এবং তাঁদের সংস্পর্শে আসা মানুষদের মধ্যে। ধীরে ধীরে শনাক্তের দুইমাসে এসে দেশের সবকটি জেলায় ছড়িয়ে গেছে করোনাভাইরাস। তবে এখন পর্যন্ত ঢাকার আশপাশেই করোনা সংক্রমণ বেশি।
২৬ মার্চের আগ পর্যন্ত আক্রান্ত ৩৯ জনের মধ্যে ১৪ জন ছিলেন ৮টি দেশ থেকে আসা ব্যক্তি। আর ২৩ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন বিদেশফেরত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে গিয়ে। বাকি দুজন কীভাবে সংক্রমিত হয়েছিলেন, তা অজানা। ২৫ মার্চ বলা হয়, সীমিত পরিসরে লোকাল ট্রান্সমিশন (স্থানীয়ভাবে সংক্রমণ) হয়ে থাকতে পারে।
৫ এপ্রিল রাজধানীর টোলারবাগ ও বাসাবো, নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর (শিবচর) এবং গাইবান্ধা (সাদুল্যাপুর)—এই পাঁচটি জায়গাকে সংক্রমণের ক্লাস্টার (কাছাকাছি একই জায়গায় অনেক আক্রান্ত) হিসেবে চিহ্নিত করে আইইডিসিআর।
এই পাঁচটি জায়গার চারটিতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলেও নিয়ন্ত্রণের পুরোপুরি বাইরে চলে যায় নারায়ণগঞ্জ। ৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ লকডাউন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। সেখান থেকে অনেকে ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন জেলায়। ১০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জকে সংক্রমণ ছড়ানোর কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত করে আইইডিসিআর।
শুরু থেকে রাজধানীতে আক্রান্ত ছিলেন বেশি। এখনো মোট আক্রান্তের অর্ধেকের বেশি রাজধানীর বাসিন্দা। নারায়ণগঞ্জে আক্রান্ত হাজার ছাড়িয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ঢাকা, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ জেলার প্রতিটিতে আক্রান্ত ১০০ ছাড়িয়ে গেছে।