১০:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ভারতে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারকে সময় দিয়েছেন আন্দোলনরত কৃষকরা
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৪:২৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
- / 101
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতীয় কৃষক ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত বলেছেন, বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলে সরকারকে চলতি বছরের ২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কৃষকরা গাজীপুর সীমান্তে (দিল্লি-উত্তর প্রদেশ) আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
আজ শনিবার তিনি এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
রাকেশ টিকায়েত বলেন, ‘কৃষি আইন বাতিলে আমরা সরকারকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছি। এর মধ্যে কোনো সমাধান না হলে আমরা ভিন্ন পরিকল্পনা করব।’
ভারতের আরেক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, এর আগে রাকেশ টিকায়েত ঘোষণা দিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে ‘চাক্কা জ্যাম’ আয়োজনের কোনো পরিকল্পনা নেই।
তিনি বলেছিলেন, কিছু দুষ্কৃতী ‘চাক্কা জ্যাম’ বিক্ষোভকে সহিংস করে তোলার চেষ্টা করছে। ফলে, উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে কোনো ‘চাক্কা জ্যাম’ হবে না।
ইন্ডিয়া টুডে আরও জানায়, গতকাল রাকেশ টিকায়েত বলেছিলেন, শনিবার উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে কোনো সড়ক অবরোধ করা হবে না। তবে, তিনি যোগ করেছিলেন, এই দুই রাজ্যের কৃষকদের যে কোনো সময় কেন্দ্রীয় রাজধানীতে ডাকা হতে পারে।
গাজীপুরের আন্দোলনস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের জেলা সদরে একটি স্মারকলিপি জমা দেবেন কৃষকরা।
আজ শনিবার তিনি এ কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
রাকেশ টিকায়েত বলেন, ‘কৃষি আইন বাতিলে আমরা সরকারকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছি। এর মধ্যে কোনো সমাধান না হলে আমরা ভিন্ন পরিকল্পনা করব।’
ভারতের আরেক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানায়, এর আগে রাকেশ টিকায়েত ঘোষণা দিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে ‘চাক্কা জ্যাম’ আয়োজনের কোনো পরিকল্পনা নেই।
তিনি বলেছিলেন, কিছু দুষ্কৃতী ‘চাক্কা জ্যাম’ বিক্ষোভকে সহিংস করে তোলার চেষ্টা করছে। ফলে, উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে কোনো ‘চাক্কা জ্যাম’ হবে না।
ইন্ডিয়া টুডে আরও জানায়, গতকাল রাকেশ টিকায়েত বলেছিলেন, শনিবার উত্তর প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে কোনো সড়ক অবরোধ করা হবে না। তবে, তিনি যোগ করেছিলেন, এই দুই রাজ্যের কৃষকদের যে কোনো সময় কেন্দ্রীয় রাজধানীতে ডাকা হতে পারে।
গাজীপুরের আন্দোলনস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেন, উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের জেলা সদরে একটি স্মারকলিপি জমা দেবেন কৃষকরা।





















