১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নিয়ন্ত্রণে নেপথ্য নায়ক মিজান। সহযোগিতায় আছে, টুলু,রাব্বি, নাজমুল গং।

মিরপুর-১৪ তে পরিবহনে চাঁদাবাজি এখন আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক | অন্যায়ের প্রতিবাদ
  • প্রকাশ : ০১:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪
  • / 148

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেকাংশে পাল্টে গেছে রাজধানীসহ সারা দেশের সড়ক খাতের চাঁদাবাজির চিত্র। এমন নয় যে, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে। বরং এখন প্রতিটি টার্মিনালেই পুরোনোদের সঙ্গে নিয়ে চলছে নতুন মুখের নেতাকর্মীদের দাপট। তবে তারা যে একেবারে নতুন, তা নয়। বিগত বিএনপি সরকারের সময়ও এই নেতাদের প্রায় সবারই একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল পরিবহন সেক্টরে। ১৫ বছরের বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে তারা। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা যতটা আশাবাদী হয়েছিলেন, তারা এখন ততটাই হতাশ। বাস্তবে এ খাতে চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট যেমন ছিল তেমনই রয়ে গেছে। বরং আরও যেন শক্তিশালী হয়ে উঠছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ এর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন চিত্র।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,মিরপুরে পরিবহন জগতের চাঁদাবাজিতে নতুন আর পুরোনোরা মিলেমিশেই সক্রিয় রয়েছে। রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও চাঁদাবাজির আধিপত্য আর ভাগবাটোয়ারা নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। ফলে সাময়িক বিরতি দিয়ে আগের মতোই প্রকাশ্য চাঁদাবাজি চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইতিহাস পরিবহনে একজন পরিবহন মালিক জানান, মিরপুর ১৪ তে পরিবহন সেক্টরের চাঁদাবাজি বিগত সরকারের সময় নিয়ন্ত্রণ করতেন মিজান,টুলু,রাব্বি,নাজমুল।

খোজ নিয়া জানা যায়, নাজমুল স্বৈরাচারী হাসিনার সময়ে আওয়ামী লীগ কে ভোটের মাঠে সুবিধা দিতে তৃণমূল বিএনপি থেকে ঢাকা-১৪ আসনে এমপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে।

আরেক চাঁদাবাজ মিজান কিছুটা ব্যাতিক্রম বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের শাশনামলে আওয়ামী লীগের কর্মী পরিচয়ে পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি করলে ও ক্ষমতা পরিবর্তনের সাথে সাথে চাঁদাবাজ মিজান রঙ পাল্টে বিএনপির সহোযোগ সংগঠন জাতীয় শ্রমিক দলের পরিচয়ে পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি অব্যাহত রেখেছে। মিজানের সহযোগী হিসেবে রয়েছে, টুলু,রাব্বি,নাজমুল।

বাস মালিকরা জানান, মিরপুর১৪ বাসস্ট্যান্ড থেকে ১১০ থেকে ১২০টি বাস সাভার হয়ে দৈনিক গাজীপুরের চান্দুরা পযন্ত চলাচল করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ইতিহাস পরিবহনে একজন মালিক বলেন প্রতিদিন প্রতিটি গাড়ি থেকে দুপধাপে যথাক্রমে ৫২০ ও ৬০ করে মিজান গং চাঁদা আদায় করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এই চাঁদার বড় একটা অংশ কিলার আব্বাসের পকেটে যায়।

এ বিষয়ে মিজান গং এর সাথে মুঠোফোনে একাধিক ফোন দিলে কেউ ফোন রিসিভ করে নি যার ফলে মিজান গং এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বিস্তারিত ২য় পর্বে……………

 

অন্যায়ের প্রতিবাদ/এসএম

Please Share This Post in Your Social Media

নিয়ন্ত্রণে নেপথ্য নায়ক মিজান। সহযোগিতায় আছে, টুলু,রাব্বি, নাজমুল গং।

মিরপুর-১৪ তে পরিবহনে চাঁদাবাজি এখন আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপি

প্রকাশ : ০১:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেকাংশে পাল্টে গেছে রাজধানীসহ সারা দেশের সড়ক খাতের চাঁদাবাজির চিত্র। এমন নয় যে, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে। বরং এখন প্রতিটি টার্মিনালেই পুরোনোদের সঙ্গে নিয়ে চলছে নতুন মুখের নেতাকর্মীদের দাপট। তবে তারা যে একেবারে নতুন, তা নয়। বিগত বিএনপি সরকারের সময়ও এই নেতাদের প্রায় সবারই একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল পরিবহন সেক্টরে। ১৫ বছরের বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে তারা। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা যতটা আশাবাদী হয়েছিলেন, তারা এখন ততটাই হতাশ। বাস্তবে এ খাতে চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট যেমন ছিল তেমনই রয়ে গেছে। বরং আরও যেন শক্তিশালী হয়ে উঠছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ এর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন চিত্র।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,মিরপুরে পরিবহন জগতের চাঁদাবাজিতে নতুন আর পুরোনোরা মিলেমিশেই সক্রিয় রয়েছে। রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও চাঁদাবাজির আধিপত্য আর ভাগবাটোয়ারা নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। ফলে সাময়িক বিরতি দিয়ে আগের মতোই প্রকাশ্য চাঁদাবাজি চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইতিহাস পরিবহনে একজন পরিবহন মালিক জানান, মিরপুর ১৪ তে পরিবহন সেক্টরের চাঁদাবাজি বিগত সরকারের সময় নিয়ন্ত্রণ করতেন মিজান,টুলু,রাব্বি,নাজমুল।

খোজ নিয়া জানা যায়, নাজমুল স্বৈরাচারী হাসিনার সময়ে আওয়ামী লীগ কে ভোটের মাঠে সুবিধা দিতে তৃণমূল বিএনপি থেকে ঢাকা-১৪ আসনে এমপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে।

আরেক চাঁদাবাজ মিজান কিছুটা ব্যাতিক্রম বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের শাশনামলে আওয়ামী লীগের কর্মী পরিচয়ে পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি করলে ও ক্ষমতা পরিবর্তনের সাথে সাথে চাঁদাবাজ মিজান রঙ পাল্টে বিএনপির সহোযোগ সংগঠন জাতীয় শ্রমিক দলের পরিচয়ে পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি অব্যাহত রেখেছে। মিজানের সহযোগী হিসেবে রয়েছে, টুলু,রাব্বি,নাজমুল।

বাস মালিকরা জানান, মিরপুর১৪ বাসস্ট্যান্ড থেকে ১১০ থেকে ১২০টি বাস সাভার হয়ে দৈনিক গাজীপুরের চান্দুরা পযন্ত চলাচল করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ইতিহাস পরিবহনে একজন মালিক বলেন প্রতিদিন প্রতিটি গাড়ি থেকে দুপধাপে যথাক্রমে ৫২০ ও ৬০ করে মিজান গং চাঁদা আদায় করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এই চাঁদার বড় একটা অংশ কিলার আব্বাসের পকেটে যায়।

এ বিষয়ে মিজান গং এর সাথে মুঠোফোনে একাধিক ফোন দিলে কেউ ফোন রিসিভ করে নি যার ফলে মিজান গং এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বিস্তারিত ২য় পর্বে……………

 

অন্যায়ের প্রতিবাদ/এসএম