০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে পূজা মণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত: ডিএমপি কমিশনার

প্রীতি রানী সাহা।
  • প্রকাশ : ০২:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 32

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

প্রীতি রানী সাহা।

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ—এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে একসাথে বসবাস করে আসছে শতাব্দীর পর শতাব্দী। সেই বন্ধন অটুট রাখতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবসময় সচেষ্ট। রাজধানীর বনানীর পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে এসে এমনই বার্তা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

তিনি বলেন, “আমরা সবাই একসাথে মিলেমিশে আছি। এই সম্প্রীতি কোনোভাবেই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। পূজা উপলক্ষে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা
ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর প্রতিটি পূজা মণ্ডপেই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, পূজার আয়োজন যেন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, সেজন্য প্রতিটি মণ্ডপে স্থানীয় কমিটির অন্তত দুইজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন। এতে নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

প্রতিমা বিসর্জনে বিশেষ প্রস্তুতি
আগামী বৃহস্পতিবার প্রতিমা বিসর্জনের দিনকে ঘিরে রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বিসর্জনের পথে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা বা দুর্ঘটনা না ঘটে, সেজন্য পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসই হলো ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতার ইতিহাস। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনা নিয়েই সবাই মিলেমিশে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দুর্গাপূজা আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

রাজধানীতে পূজা মণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ : ০২:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় সাপ্তাহিক অন্যায়ের প্রতিবাদ।

প্রীতি রানী সাহা।

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ—এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে একসাথে বসবাস করে আসছে শতাব্দীর পর শতাব্দী। সেই বন্ধন অটুট রাখতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সবসময় সচেষ্ট। রাজধানীর বনানীর পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে এসে এমনই বার্তা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

তিনি বলেন, “আমরা সবাই একসাথে মিলেমিশে আছি। এই সম্প্রীতি কোনোভাবেই যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। পূজা উপলক্ষে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”

বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা
ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর প্রতিটি পূজা মণ্ডপেই অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, পূজার আয়োজন যেন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, সেজন্য প্রতিটি মণ্ডপে স্থানীয় কমিটির অন্তত দুইজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন। এতে নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

প্রতিমা বিসর্জনে বিশেষ প্রস্তুতি
আগামী বৃহস্পতিবার প্রতিমা বিসর্জনের দিনকে ঘিরে রাজধানীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বিসর্জনের পথে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা বা দুর্ঘটনা না ঘটে, সেজন্য পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসই হলো ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতার ইতিহাস। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনা নিয়েই সবাই মিলেমিশে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দুর্গাপূজা আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হবে।