০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বশেমুরবিপ্রবির গ্রন্থাগার থেকে ৯১টি কম্পিউটার উধাও৩ বছরে চুরি হয়েছে ১৮৮টি কম্পিউটার

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৪:০২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০
  • / 86
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) আবার কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে ৯১টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে বলে রেজিস্ট্রারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।
এ নিয়ে গত তিন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তিন দফায় ১৮৮টি কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটল। ২০১৭ সালে ৫০টি ও ২০১৮ সালে ৪৭টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান ও রেজিস্ট্রার ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ সর্বশেষ এ চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপাচার্য জানান, ঈদের ছুটি শেষে গত রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর চুরির বিষয়টি গোচরে আসে। দেখা যায়, গ্রন্থাগারের পেছনের দিকের জানালা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। গ্রন্থাগারে ঢুকে দেখা যায় ৯১টি কম্পিউটারের হদিস নেই।
ঘটনাটি তদন্তের জন্য আইন অনুষদের ডিন মো. আব্দুল কুদ্দুস মিয়াকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ রেজিস্ট্রারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, চুরির বিষয়ে জানার পর সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেছি। ২৭ জুলাই থেকে রোববারের পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। এর মধ্যে চুরি হয়নি। আর এর আগে ২০ জুলাই উপাচার্য গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেছিলেন। তখনও সব কম্পিউটার যথাস্থানে ছিল। ধারণা করছি ২০ থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে কম্পিউটারগুলো চুরি হয়েছে।
তরিকুল ইসলাম আরও বলেন, গত ২৩ জুলাই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আমাকে না জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেছেন। কাজটি তারা ঠিক করেননি।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন নিরাপত্তারক্ষীর মধ্যে ২০ জন ২৩ তারিখ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কারণ না জানিয়েই অনুপস্থিত ছিলেন। তাই নিরাপত্তা জনিত কিছুটা সমস্যা ছিল।
উপাচার্য জানান, রেজিস্টার বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার চুরির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে চুরির ঘটনার মামলা করা হয়েছিল। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

বশেমুরবিপ্রবির গ্রন্থাগার থেকে ৯১টি কম্পিউটার উধাও৩ বছরে চুরি হয়েছে ১৮৮টি কম্পিউটার

প্রকাশ : ০৪:০২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০


গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) আবার কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে ৯১টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে বলে রেজিস্ট্রারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।
এ নিয়ে গত তিন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তিন দফায় ১৮৮টি কম্পিউটার চুরির ঘটনা ঘটল। ২০১৭ সালে ৫০টি ও ২০১৮ সালে ৪৭টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান ও রেজিস্ট্রার ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ সর্বশেষ এ চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপাচার্য জানান, ঈদের ছুটি শেষে গত রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর চুরির বিষয়টি গোচরে আসে। দেখা যায়, গ্রন্থাগারের পেছনের দিকের জানালা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। গ্রন্থাগারে ঢুকে দেখা যায় ৯১টি কম্পিউটারের হদিস নেই।
ঘটনাটি তদন্তের জন্য আইন অনুষদের ডিন মো. আব্দুল কুদ্দুস মিয়াকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ রেজিস্ট্রারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, চুরির বিষয়ে জানার পর সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেছি। ২৭ জুলাই থেকে রোববারের পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। এর মধ্যে চুরি হয়নি। আর এর আগে ২০ জুলাই উপাচার্য গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেছিলেন। তখনও সব কম্পিউটার যথাস্থানে ছিল। ধারণা করছি ২০ থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে কম্পিউটারগুলো চুরি হয়েছে।
তরিকুল ইসলাম আরও বলেন, গত ২৩ জুলাই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আমাকে না জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেছেন। কাজটি তারা ঠিক করেননি।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ জন নিরাপত্তারক্ষীর মধ্যে ২০ জন ২৩ তারিখ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কারণ না জানিয়েই অনুপস্থিত ছিলেন। তাই নিরাপত্তা জনিত কিছুটা সমস্যা ছিল।
উপাচার্য জানান, রেজিস্টার বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার চুরির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে চুরির ঘটনার মামলা করা হয়েছিল। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।